লস অ্যাঞ্জেলেসে বেলজিয়ামকে ২-১ গোলে হারিয়ে ১৬ বছরের অপেক্ষা শেষ করেছে স্পেন। ২০১০ সালের বিশ্বকাপজয়ী দলটি কোয়ার্টার ফাইনালে জিতে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে। মিকেল মেরিনোর শেষ মুহূর্তের গোলই ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেয়।
ম্যাচের মূল মুহূর্ত
ম্যাচের শুরু থেকেই স্পেন আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে। প্রথমার্ধে স্পেন এগিয়ে গেলেও দ্বিতীয়ার্ধে বেলজিয়াম সমতা আনে। তবে শেষ মুহূর্তে মিকেল মেরিনোর গোলে স্পেন জয় নিশ্চিত করে। বেলজিয়ামের গোলরক্ষক সেনে লামেন্সের ভুলেই এই গোলটি হয়।
গ্যালারির তারকা উপস্থিতি
গ্যালারিতে স্প্যানিশ তারকা দম্পতি হাভিয়ের বারদেম ও পেনেলোপে ক্রুজ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ব্রিটিশ সংগীতশিল্পী নোয়েল গ্যালাঘার, মার্কিন অভিনেত্রী নিকি রদ্রিগেজ ও অভিনেতা নোয়াহ লালঁদও ম্যাচ উপভোগ করেন। বেলজিয়াম ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি পাসকালে ভান ডামে, রাজা ফিলিপ ও ফিফা কাউন্সিলের সহসভাপতি শেখ সালমান বিন ইব্রাহিম আল খলিফাও উপস্থিত ছিলেন।
কোর্তোয়ার চোট ও বদলি
ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ একটি মুহূর্ত ছিল থিবো কোর্তোয়ার চোট। তিনি লামেন্সের বদলি হিসেবে মাঠে নামেন কিন্তু চোট নিয়ে মাঠ ছাড়েন। এই বদলি পরবর্তীতে ম্যাচের ভাগ্য পরিবর্তন করে।
স্পেনের সেমিফাইনাল নিশ্চিত
ম্যাচ শেষে স্পেনের খেলোয়াড়রা গ্যালারিতে থাকা সমর্থকদের অভিবাদন জানান। অন্যদিকে হতাশ বেলজিয়ামের তারকা কেভিন ডি ব্রুইনা হাততালি দিয়ে দর্শকদের ধন্যবাদ জানান। তার এটাই শেষ বিশ্বকাপ ম্যাচ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ছবিতে স্পেনের সেমিতে ফেরার গল্প
ছবিতে দেখা যায় স্প্যানিশ তারকা দম্পতি হাভিয়ের বারদেম ও পেনেলোপে ক্রুজ স্পেনের দ্বিতীয় গোল উদযাপন করছেন। দ্বিতীয় সারিতে নোয়েল গ্যালাঘার ও প্রথম সারিতে নিকি রদ্রিগেজ ও নোয়াহ লালঁদ। বেলজিয়ামের গোলরক্ষক সেনে লামেন্সের ভুলের কারণে শেষ মুহূর্তের গোল হজম করতে হয়। ম্যাচের পর লামিনে ইয়ামালের সঙ্গে কথা বলেন কোর্তোয়া। স্পেনের বিপক্ষে হারের পর ভেঙে পড়েন বেলজিয়ামের এক সমর্থক। কোর্তোয়া চোট নিয়ে মাঠ ছাড়েন, যা ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেয়। গ্যালারিতে বেলজিয়াম ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি, রাজা ফিলিপ ও ফিফা কাউন্সিলের সহসভাপতি উপস্থিত ছিলেন। সুপার সাব মিকেল মেরিনোর উদযাপন দেখা যায় শেষ মুহূর্তের গোলের পর। স্পেনের খেলোয়াড়রা সমর্থকদের অভিবাদন জানান। হতাশ কেভিন ডি ব্রুইনা দর্শকদের ধন্যবাদ জানান।



