ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচের শুরুতে একটি অদ্ভুত দৃশ্য চোখে পড়ে। কিক-অফের পরপরই মরক্কোর খেলোয়াড়রা ইচ্ছাকৃতভাবে বলটি মাঠের বাইরে পাঠিয়ে দেয়। তবে এটি কোনো ভুল ছিল না, বরং একটি পরিকল্পিত কৌশল, যা ইউরোপিয়ান ফুটবলে বর্তমানে বহু দল ব্যবহার করছে।
কৌশলটির মূল ধারণা
এই কৌশলের মূল লক্ষ্য হলো ম্যাচের শুরুতেই প্রতিপক্ষকে বল দিয়ে দেওয়া এবং তারপর উচ্চ চাপ প্রয়োগ করা। যে দল ভালো প্রেসিং করতে পারে এবং উচ্চ ডিফেন্সিভ লাইনে খেলতে পছন্দ করে, তাদের জন্য এটি কার্যকর। এর মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে নিজেদের অর্ধে পাসের বিনিময় করতে বাধ্য করা সম্ভব হয়।
বিশেষজ্ঞের ব্যাখ্যা
গ্রুপো গ্লোবোর ধারাভাষ্যকার রদ্রিগো কুতিনিও এই কৌশলের ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, 'এটি সহজে সুযোগ তৈরির একটি চেষ্টা। যদি আপনি টাইট ডিফেন্সের বিপক্ষে বল পায়ে রেখে খেলেন, তাহলে ২৫-৩০ মিটারের মধ্যে দশজন খেলোয়াড় এবং গোলরক্ষক থাকবে, যেখানে সুযোগ তৈরি করা কঠিন। কিন্তু যখন আপনি বল ছেড়ে দিয়ে প্রেস করতে থাকেন, তখন বিপরীত পরিস্থিতি তৈরি হয়।'
বড় ক্লাবের ব্যবহার
পিএসজি এবং আর্সেনালের মতো বড় ক্লাবগুলোও এই কৌশল ব্যবহার করে থাকে। তবে ব্রাজিলের বিপক্ষে মরক্কোর এই পরিকল্পনা পুরোপুরি সফল হয়নি। ইবানেজ খুব দ্রুত থ্রো-ইন নেওয়ায় মরক্কোর আক্রমণভাগের খেলোয়াড়রা সেখানে পৌঁছাতে পারেনি। মার্কিনিওস বল সামনে পাঠিয়ে দেন এবং ওই পরিস্থিতি থেকে ব্রাজিলকে তেমন কোনো বিপদে পড়তে হয়নি।
পরবর্তী খেলার সূচি
- গ্রুপ ই: জার্মানি – কুরাসাও, রাত ১১টা, এনআরজি স্টেডিয়াম, হিউস্টন, যুক্তরাষ্ট্র
- গ্রুপ এফ: নেদারল্যান্ডস – জাপান, রাত ২টা, এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়াম, ডালাস, যুক্তরাষ্ট্র (১৫ জুন ২০২৬)
- গ্রুপ ই: আইভরি কোস্ট – ইকুয়েডর, ভোর ৫টা, লিংকন ফিন্যান্সিয়াল ফিল্ড, ফিলাডেলফিয়া, যুক্তরাষ্ট্র (১৫ জুন ২০২৬)



