২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের শেষ আটে ওঠার লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ফ্রান্স ও মরক্কো। এই ম্যাচে বিশেষ নজর কেড়েছে দুই তারকা খেলোয়াড়—কিলিয়ান এমবাপ্পে ও আশরাফ হাকিমির বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা। একসময় প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ের (পিএসজি) হয়ে একসঙ্গে খেলা এই দুই বন্ধু এখন প্রতিপক্ষ হিসেবে মাঠে নামবেন।
মরক্কোর জয়যাত্রা ও ফ্রান্সের কষ্টার্জিত জয়
মরক্কো তাদের শেষ ষোলোর ম্যাচে কানাডাকে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত করে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করে। অন্যদিকে, ফ্রান্স গতকাল রাতে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে কষ্টার্জিত জয় তুলে নিয়ে মরক্কোর সামনে পড়েছে। ১০ জুলাই বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ২:০০ টায় অনুষ্ঠিত হবে এই হাই-ভোল্টেজ ম্যাচ।
কাতার বিশ্বকাপের পুনরাবৃত্তি
আগের বিশ্বকাপে (কাতার ২০২২) এই দুই দল লড়েছিল ফাইনালের টিকিট নিশ্চিতে। সেবার সেমিফাইনালে মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে ফ্রান্স। ওই ম্যাচে মরক্কো ৬১ শতাংশ বল দখলে রাখলেও জয় পায়নি। অন টার্গেটে শট ছিল উভয় দলেরই ৩টি করে। হাকিমি তখন এমবাপ্পেকে থামাতে পারেননি।
বন্ধুত্বের বন্ধন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা
কাতার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের আগে মরক্কো সেমি নিশ্চিত করলে এমবাপ্পে হাকিমিকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন। এরপর ম্যাচের আগে হাকিমি টুইট করেন, ‘শিগগিরই দেখা হবে বন্ধু।’ এবার সেমিফাইনাল নয়, শেষ আটের লড়াইয়েই তাদের দেখা হচ্ছে। দুই বন্ধুর এই লড়াই ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে।
ম্যাচের গুরুত্ব ও সম্ভাবনা
এই ম্যাচটি উভয় দলের জন্যই স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখার লড়াই। ফ্রান্স শিরোপা ধরে রাখতে চায়, আর মরক্কো প্রথমবারের মতো সেমিফাইনালে ওঠার স্বপ্ন দেখছে। দুই বন্ধু এমবাপ্পে ও হাকিমির মধ্যে কে কাকে হারিয়ে এগিয়ে যান, সেটাই দেখার বিষয়।



