বারিস্টার আনিসুলের সংলাপ ও সহনশীলতার রাজনীতির আহ্বান
বারিস্টার আনিসুলের সংলাপ ও সহনশীলতার রাজনীতির আহ্বান

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী বারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেছেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় সংঘাত, প্রতিহিংসা ও বিভেদের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে সংলাপ, সহনশীলতা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক অংশগ্রহণের পরিবেশ তৈরি করা অপরিহার্য।

প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে ইতিবাচক বার্তা

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারিক রহমানের প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে ওপরে উঠে জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সাম্প্রতিক আহ্বান একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করে। দেশের বৃহত্তর স্বার্থে সব রাজনৈতিক দলকে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে এগিয়ে আসা উচিত।

স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ গঠন

বারিস্টার আনিসুল আরও বলেন, কোনো রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে বাদ না দিয়ে বরং সব রাজনৈতিক শক্তির অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মাধ্যমেই একটি স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব। এই মন্তব্য তিনি রোববার (৫ জুলাই) ঢাকার গুলশানে দলীয় চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম বৈঠকে সভাপতির ভাষণে করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

গণতন্ত্র ও শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক সংস্কৃতি

বৈঠকে বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব ও সাবেক মন্ত্রী এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার। তিনি বলেন, দল সব সময় গণতন্ত্র, সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা ও শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক সংস্কৃতির পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের জনগণ এখন সংঘাত নয় বরং কার্যকর গণতন্ত্র, সুশাসন, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও জনকল্যাণমুখী রাজনীতি চায়। এই প্রত্যাশা পূরণে জাতীয় পার্টি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক ভূমিকা পালন করে যাবে বলে তিনি জানান।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন

আগামী ১৪ জুলাই জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় পালনের জন্য দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান রুহুল আমিন হাওলাদার। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির পাশাপাশি জেলা, মহানগর, উপজেলা ও সব সাংগঠনিক পর্যায়ে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।

তরুণ প্রজন্মের কাছে এরশাদের অবদান তুলে ধরা

তিনি আরও বলেন, দলের নেতাকর্মীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে এরশাদের রাজনৈতিক অবদান, উন্নয়ন উদ্যোগ ও দেশ শাসনে তার ভূমিকা তরুণ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা উচিত।

প্রেসিডিয়াম বৈঠকে অন্যান্য বক্তা

প্রেসিডিয়াম বৈঠকে আরও বক্তব্য রাখেন নির্বাহী চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চুন্নু, সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট কাজী ফিরোজ রশিদ, কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, শহীদুর রহমান টেপা, মোস্তফা আল মাহমুদ, চেয়ারম্যানের বিশেষ সহকারী নাসরিন জাহান রত্না, প্রেসিডিয়াম সদস্য সোলায়মান আলম শেঠ, চেয়ারম্যানের আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত মাসরুর মওলা, জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া, অধ্যাপক নূরুল ইসলাম মিলন, সরদার মো. শাহজাহান, মোবারক হোসেন আজাদ, ফখরুল আহসান শাহজাদা, মো. বেলাল হোসেন, জাহাঙ্গীর হোসেন মানিক, জাহাঙ্গীর আহমেদ, জামাল রানা, শেখ মতলুব হোসেন লায়ন, নাজনিন সুলতানা প্রমুখ।