এমবাপ্পে নন, ফ্রান্সের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় ওলিসে: অঁরি
এমবাপ্পে নন, ফ্রান্সের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ওলিসে: অঁরি

কিলিয়ান এমবাপ্পে যদি ফ্রান্সের সবচেয়ে মূল্যবান খেলোয়াড় বা 'এমভিপি' হন, তাহলে মাইকেল ওলিসে হচ্ছেন ফ্রান্সের 'এমআইপি' বা 'মোস্ট ইমপর্ট্যান্ট প্লেয়ার' বলে মন্তব্য করেছেন ফ্রান্স কিংবদন্তি থিয়েরে অঁরি। এই বিশ্বকাপ যারা দেখছেন, তারা বোধ হয় অঁরির সঙ্গে খুব একটা দ্বিমত করবেন না। ওলিসে এমনই দুর্দান্ত খেলছেন, ভেঙে দিতে পারেন পেলে ও লিওনেল মেসির দুটি পুরোনো রেকর্ড। এর মধ্যে ডিয়েগো ম্যারাডোনার একটি রেকর্ড ছুঁয়েও ফেলেছেন ওলিসে।

পেলের রেকর্ড ছোঁয়ার পথে ওলিসে

বিশ্বকাপের ইতিহাসে এক আসরে সবচেয়ে বেশি অ্যাসিস্টের (গোল বানানো) একটি তালিকা প্রকাশ করেছে তথ্য–উপাত্তভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম অপ্টা। সেখানে সেই রেকর্ড পেলের। ১৯৭০ বিশ্বকাপে ব্রাজিল দলের হয়ে পেলে করেছিলেন ছয়টি অ্যাসিস্ট। এক বিশ্বকাপে পাঁচটি করে অ্যাসিস্ট ছিল ১৯৭৪ বিশ্বকাপে পোল্যান্ডের রবার্ত গাদোচা, ১৯৮২ বিশ্বকাপে জার্মানির পিয়েরে লিটবারস্কি, ১৯৮৬ বিশ্বকাপে ডিয়েগো ম্যারাডোনা ও ১৯৯৪ বিশ্বকাপে জার্মানির থমাস হাসলারের। ওলিসে সুইডেনের বিপক্ষে দুটি অ্যাসিস্ট করে ছুঁয়েছেন তাদের, এই বিশ্বকাপে তার মোট অ্যাসিস্ট পাঁচটি। বলে রাখা ভালো, অপ্টা শুধু ১৯৬৬ বিশ্বকাপের পর থেকে হিসাব করেছে এই পরিসংখ্যান। ওলিসে পেলেকে ছুঁয়ে ফেলার বা পেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন শেষ ১৬-তে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচে।

মেসির রেকর্ডও হাতছানি দিচ্ছে

মেসির একটি রেকর্ডও হাতছানি দিচ্ছে ওলিসেকে। এক মৌসুমে দেশ ও ক্লাবের হয়ে রেকর্ড ৩৪টি অ্যাসিস্টের রেকর্ড এত দিন যুগ্মভাবে ছিল মেসি ও হুয়ান মাতার। মেসি সেটি করেছিলেন ২০১১-১২ মৌসুমে, মাতা ছুঁয়েছিলেন ২০১২-১৩ মৌসুমে। ৩৩টি অ্যাসিস্ট আছে মেসুত ওজিলের, ২০১০-১১ মৌসুমে। কালকের জোড়া অ্যাসিস্টের পর বায়ার্ন ও ফ্রান্সের হয়ে এই মৌসুমে ওলিসের মোট অ্যাসিস্ট ৩২টি। আর দুটি অ্যাসিস্ট করলে ছুঁয়ে ফেলবেন মেসি ও মাতাকে, তিনটি করলে ছাড়িয়ে যেতে পারেন তাদের। এই বিশ্বকাপে ওলিসে যেমন খেলছেন, পেলে-মেসিকে ছুঁয়ে ফেললে, এমনকি ছাড়িয়ে গেলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সূত্র: ফক্স স্পোর্টস