ম্যাচ শুরুর আগে জাতীয় সংগীত ও সমর্থকদের অপেক্ষা
ম্যাচ শুরুর আগে জাতীয় সংগীতের সময় সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন ইংল্যান্ড ও ঘানার খেলোয়াড়েরা। অন্যদিকে গ্যালারিতে ম্যাচ শুরুর অপেক্ষায় ছিলেন ইংল্যান্ডের সমর্থকেরা, যাঁদের চোখেমুখে ছিল দলের জন্য প্রত্যাশা আর উত্তেজনা।
স্টেডিয়ামে ঘানার সমর্থক ও মাঠের দ্বৈরথ
স্টেডিয়ামে দেখা গেছে ঘানার এক সমর্থককে। মাঠে বলের দখল নিয়ে লড়াই করছিলেন ঘানার জর্ডান আয়ু, ইংল্যান্ডের এলিয়ট অ্যান্ডারসন ও মার্ক গেহি। ম্যাচজুড়ে এমন বহু দ্বৈরথে জমে ওঠে প্রতিযোগিতা।
সিংহের মুখোশ ও ‘থ্রি লায়নস’-এর ভালোবাসা
সিংহের মুখোশ পরে গ্যালারিতে দেখা গেছে ইংল্যান্ডের এক সমর্থককে। ‘থ্রি লায়নস’-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের এটি ছিল এক অভিনব উপায়।
ঘানার আটকানোর চেষ্টা ও ম্যাচের উত্তেজনা
ইংল্যান্ডের ননি মাদুয়েকেকে আটকানোর চেষ্টা করছিলেন ঘানার মারভিন সেনায়া। দুই দলের লড়াই ছিল চোখে পড়ার মতো।
ম্যাচ শেষে ঘানার উচ্ছ্বাস ও হ্যারি কেইনের হতাশা
ম্যাচ শেষে আবদুল ফাতাউ ও বেঞ্জামিন আসারেকে ঘিরে উচ্ছ্বাস দেখা যায়। শেষ বাঁশি বাজার পর উল্লাসে ফেটে পড়েন ঘানার সমর্থকেরা, গ্যালারিজুড়ে শুরু হয় আনন্দোৎসব। ম্যাচ শেষে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছিলেন ঘানার ফরোয়ার্ড ইনিয়াকি উইলিয়ামস। অন্যদিকে গোলের সুযোগ নষ্ট করার পর হতাশ ছিলেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইন।



