বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার পথে ইংল্যান্ডের সামনে সবচেয়ে বড় বাধা এখন আর্লিং হাল্যান্ড। তবে থমাস টুখেলের দলের জন্য স্বস্তির খবর হলো নরওয়ের এই গোলমেশিনকে বিশ্বের খুব কম আন্তর্জাতিক দলই ইংল্যান্ডের মতো এত কাছ থেকে চেনে।
হাল্যান্ডের সাথে ইংলিশ ডিফেন্ডারদের পরিচিতি
গত চার বছর ধরে ম্যানচেস্টার সিটির জার্সিতে প্রিমিয়ার লিগের রক্ষণভাগে ত্রাস ছড়িয়ে আসছেন হাল্যান্ড। অবিশ্বাস্য ধারাবাহিকতায় গোল করে যাওয়া এই স্ট্রাইকার ইংল্যান্ডের বেশিরভাগ খেলোয়াড়েরই পরিচিত প্রতিপক্ষ। তাই শনিবার রাত ৩টায় মায়ামিতে তাকে থামানোর পরিকল্পনা নিয়েই মাঠে নামবে থ্রি লায়ন্সরা।
হাল্যান্ডের শক্তি ও পরিসংখ্যান
মাত্র ২৫ বছর বয়সেই শক্তি, গতি ও দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর ফরোয়ার্ডদের একজন হয়ে উঠেছেন হাল্যান্ড। চলতি টুর্নামেন্টে ইতোমধ্যে সাত গোল করা এই তারকাকে সামান্য জায়গা দিলে তার মূল্য দিতে হবে ইংল্যান্ডকে।
রজার্সের মন্তব্য
হাল্যান্ডকে কীভাবে আটকে রাখা সম্ভব- এমন প্রশ্নে হাসতে হাসতেই উত্তর দিয়েছেন ইংল্যান্ড মিডফিল্ডার মরগান রজার্স, ‘আর্লিং হাল্যান্ডকে আদৌ কেউ থামাতে পেরেছে? আমার তো মনে হয় না। তবে আমরা অবশ্যই চেষ্টা করবো।’
সেই চেষ্টার মধ্যে রয়েছে হাল্যান্ডের কাছে বল পৌঁছানোর যাবতীয় সাপ্লাই লাইন বন্ধ করে দেওয়া। তার কথায়, ‘সে অসাধারণ একজন খেলোয়াড়। যা করে, যেভাবে পরিসংখ্যান গড়ে, সবই তার সামর্থ্যের প্রমাণ। তাই আমাদের মূল লক্ষ্য হবে ওর কাছে বল পৌঁছানোর সব পথ বন্ধ করা এবং যেন সহজে সুযোগ তৈরি করতে না পারে, সেটা নিশ্চিত করা। কারণ গোলের সামনে সে ভয়ংকর রকমের কার্যকর।’
অতীতের সাফল্য ও সতর্কতা
অ্যাস্টন ভিলার হয়ে খেলা রজার্স জানান, ভিলা পার্কে ম্যানচেস্টার সিটির সর্বশেষ চার সফরে হাল্যান্ডকে গোলশূন্য রাখতে পেরেছিল তাদের দল। যদিও তিনি সেখানে কিছুটা ভাগ্যের কৃতিত্বই দিচ্ছেন। পাশাপাশি সতর্ক করেছেন নরওয়ের অন্য তারকাদের নিয়েও। বিশেষ করে আর্সেনালের অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ডও ইংল্যান্ডের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারেন বলে মনে করেন তিনি।



