ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী জোরকায়েফের মন্তব্য: ব্রাজিলের খেলা দেখলে বমি আসে
ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ীর মন্তব্য: ব্রাজিলের খেলা দেখলে বমি আসে

১৯৯৮ সালে ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য ইউরি জোরকায়েফ বর্তমান ব্রাজিল জাতীয় দলের খেলা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন। আরএমসি স্পোর্টসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, 'ব্রাজিলের খেলা দেখলে বমি আসে।'

ব্রাজিলের পারফরম্যান্সে হতাশা

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সফল দল ব্রাজিল ২০০২ সালের পর আর বিশ্বকাপ জিততে পারেনি। ২০২৬ বিশ্বকাপেও কার্লো আনচেলত্তির অধীনে নতুন আশা জাগলেও শেষ ষোলো থেকে বিদায় নিতে হয়েছে। মাঠের পারফরম্যান্সেও ধার, সৃজনশীলতা ও গতির অভাব ছিল, যা সমর্থকদের হতাশ করেছে।

জোরকায়েফের বক্তব্য

জোরকায়েফ বলেন, 'ব্রাজিলের কথা বলতে গেলে, ব্রাজিল বনাম নরওয়ে ম্যাচ দেখেছেন? ব্রাজিলের খেলা দেখলে বমি আসে।' তার মতে, ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের ঐতিহ্যবাহী কারিগরি মান হারিয়ে গেছে। বর্তমান দলে টেকনিক্যালি দক্ষ খেলোয়াড়ের অভাব রয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নেইমার ও পাকেতার সমালোচনা

জোরকায়েফ বলেন, 'আছে শুধু ৩৫ বছর বয়সি নেইমার, যিনি অনেকদিন খেলেননি, তবুও মাঠে নেমে কিছু একটা তৈরি করার চেষ্টা করেন। কিন্তু বাকিরা কোথায়? সেই টেকনিক্যালি দক্ষ ব্রাজিলিয়ান ফুটবলাররা কোথায়?' তিনি পাকেতার মতো খেলোয়াড়দেরও সমালোচনা করেন।

হালান্ড ও এন্ড্রিকের উদাহরণ

আধুনিক স্ট্রাইকারদের উদাহরণ টেনে জোরকায়েফ বলেন, 'মান বলতে আমি প্রথম টাচ ও বল নিয়ন্ত্রণ বুঝি। নরওয়ের দ্বিতীয় গোলে হালান্ড যেভাবে বল নিয়ন্ত্রণ করলো, সঠিক সময় নিলো, জায়গা তৈরি করলো, তারপর সহজভাবে শট নিলো- এটাই মান।' তিনি আরও বলেন, 'এন্ড্রিক গোলরক্ষকের সামনে পুরোপুরি ফাঁকা ছিল। যদি বলটা রোনালদো কাছে থাকতো, তিনি গোলরক্ষককে কাটিয়ে সহজেই বল জালে পাঠাতেন।'

জোরকায়েফের ক্যারিয়ার

ইউরি জোরকায়েফ ১৯৯৩ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত ফ্রান্স জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন। তিনি ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপ ও ২০০০ সালের ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছিলেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ