মরক্কোকে হারিয়ে বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে ফ্রান্স
মরক্কোকে হারিয়ে বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে ফ্রান্স

২০২২ বিশ্বকাপে মরক্কোর স্বপ্ন ভেঙেছিল ফ্রান্স। চার বছর পর আবারও বিশ্বকাপের মঞ্চে মুখোমুখি হয়ে একই পরিণতি বরণ করতে হলো আফ্রিকার দলটিকে। কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে ফ্রান্স। আর তাতেই টানা তৃতীয় বিশ্বকাপ ফাইনালে ওঠার স্বপ্নের আরও এক ধাপ কাছে পৌঁছে গেছে দিদিয়ের দেশমের দল।

ম্যাচের প্রথমার্ধ: পেনাল্টি মিসে গোলশূন্য

ম্যাসাচুসেটসের ফক্সবরোর জিলেট স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য দেখায় ফ্রান্স। তবে প্রথমার্ধে গোলের সবচেয়ে বড় সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি কিলিয়ান এমবাপ্পে। ২৫তম মিনিটে পাওয়া পেনাল্টি দুর্দান্ত দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু। ফলে গোলশূন্য সমতায় বিরতিতে যায় দুই দল।

দ্বিতীয়ার্ধে এমবাপ্পে ও দেম্বেলের গোল

বিরতির পর আক্রমণের ধার আরও বাড়ায় ফ্রান্স। ম্যাচের ৬০তম মিনিটে জট কাটান এমবাপ্পে। বক্সের বাঁ দিক থেকে দারুণ শটে বুনুকে পরাস্ত করে দলকে এগিয়ে দেন তিনি। প্রথমার্ধের পেনাল্টি মিসের হতাশাও মুছে দেন এই গোলে। গোল হজমের পর সমতায় ফেরার চেষ্টা চালায় মরক্কো। কিন্তু ৬৬তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে ফ্রান্স। এমবাপ্পের তৈরি করা আক্রমণ থেকে ওসমান দেম্বেলে গোল করলে ম্যাচ কার্যত ফ্রান্সের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি

২০২২ কাতার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালেও মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছিল ফ্রান্স। এবারও বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে আফ্রিকার দলটিকে হারিয়ে শেষ চারে জায়গা করে নিল 'লে ব্লু'রা। বিশ্বকাপে ফ্রান্সের সাম্প্রতিক ধারাবাহিকতাও ঈর্ষণীয়। ২০১৮ সালে ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল তারা। ২০২২ সালে ফাইনালে উঠে টাইব্রেকারে আর্জেন্টিনার কাছে হেরে রানার্সআপ হয়। এবার সেমিফাইনালে জিততে পারলেই টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলবে ফ্রান্স।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিরল কীর্তির সামনে ফ্রান্স

বিশ্বকাপের ইতিহাসে এর আগে ইউরোপের কেবল পশ্চিম জার্মানি টানা তিনটি ফাইনাল খেলেছে। ১৯৮২ ও ১৯৮৬ সালে রানার্সআপ হওয়ার পর ১৯৯০ সালে শিরোপা জিতেছিল তারা। ফ্রান্স এখন সেই বিরল কীর্তির সামনে দাঁড়িয়ে।