সিডনির জুবিলি স্টেডিয়াম দেখে বাংলাদেশি ফুটবলারদের আফসোস বাড়ছে
জুবিলি স্টেডিয়াম দেখে বাংলাদেশি ফুটবলারদের আফসোস

সিডনির জুবিলি স্টেডিয়াম দেখে বাংলাদেশি ফুটবলারদের আফসোস বাড়ছে

নারী এশিয়ান কাপের মূল প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার আগে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল সিডনির জুবিলি স্টেডিয়ামে অনুশীলন চালাচ্ছে। এই স্টেডিয়ামটি ফুটবল ও রাগবি উভয় খেলার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং অপেক্ষাকৃত ছোট আকৃতির হলেও এর চারপাশের দৃশ্য অতুলনীয়। মাঠের ভেতরের অবস্থা দেখে অনেকেই অবাক হচ্ছেন, যা বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের দেশের মাঠের মান নিয়ে আফসোস বাড়িয়ে দিচ্ছে।

দেশের মাঠের তুলনায় অস্ট্রেলিয়ার মান অনেক উন্নত

দেশে থাকাকালীন বাংলাদেশি নারী ফুটবলাররা জাতীয় স্টেডিয়াম কিংবা কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামের টার্ফে অনুশীলন করে থাকে। এবার কিছু দিন চট্টগ্রামের কোরিয়ান ইপিজেডেও অনুশীলন হয়েছে, কিন্তু তা জুবিলি স্টেডিয়ামের মানের কাছাকাছিও নয়। এ নিয়ে ডিফেন্ডার শিউলি আজিম আক্ষেপের সুরে বলেছেন, ‘এখানকার সুযোগ-সুবিধা সব ভালো। বিশেষ করে মাঠের কথা বলবো, মাঠ কতটা ভালো বলে বোঝানো যাবে না। আমাদের দেশে এমন মাঠ থাকলে হয়তো আরও ভালো প্রস্তুতি নিতে পারতাম আমরা। আমাদের দেশের তুলনায় এ দেশের সব মাঠই ভালো।’

প্রীতি ম্যাচের অভিজ্ঞতা ও ভুল শুধরে নেওয়ার চেষ্টা

এর আগে ওয়েস্টার্ন সিডনি ওয়ান্ডারার্সের অনুশীলন মাঠে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছে বাংলাদেশ দল। ‘ক্লোজডোর’-এ অনুষ্ঠিত ওই ম্যাচে তারা স্বাগতিক দলটিকে ১-১ ড্রয়ে রুখে দিয়েছে। টানা দুটি সাফ জয়ী এই ডিফেন্ডার শিউলি আজিম বলেছেন, ‘আশা করি, আমরা আমাদের সর্বোচ্চটা দিতে পারবো। আমরা এখানে আসার পর একটা ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছি। ওয়েস্টার্ন সিডনি ওয়ান্ডারার্সের বিপক্ষে, সেখানে যে ঘাটতি আর ভুলগুলো ছিল সেগুলো নিয়ে কোচ কাজ করছেন।’

ওয়েস্টার্ন সিডনি ওয়ান্ডারার্সের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের অভিজ্ঞতা টেনে শিউলি আরও বললেন, ‘মেয়েদের বিশ্বকাপে খেলা একটি দেশের (অস্ট্রেলিয়া) ক্লাব দলের বিপক্ষে নিজেদের শক্তি যাচাই করার সুযোগ পাওয়া আমাদের জন্য ছিল দারুণ অভিজ্ঞতা। রক্ষণভাগের যে ভুলগুলো ধরা পড়েছিল, গত কয়েক দিনের অনুশীলনে সেগুলো কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করেছি আমরা।’ এই প্রস্তুতি নারী এশিয়ান কাপে বাংলাদেশ দলের পারফরম্যান্সের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।