এশিয়ান কাপের প্রস্তুতিতে সিডনিতে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের অনুশীলন শুরু
এশিয়ান কাপের আগে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল সিডনিতে স্বল্পমাত্রার অনুশীলন শুরু করেছে। দলের সদস্য আফঈদা, রুপনা ও মনিকারা এই অনুশীলনে অংশ নিচ্ছেন। এর আগে জাপান, কোরিয়া ও ভিয়েতনামে ক্যাম্প করার পরিকল্পনা থাকলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। বর্তমানে সিডনিতে দলের সময়টি বেশ ভালোই কাটছে বলে জানা গেছে।
সিডনির ভ্যালেন্টাইন স্পোর্টস পার্কে হালকা অনুশীলন
সিডনির ভ্যালেন্টাইন স্পোর্টস পার্কে হালকা অনুশীলনের মাধ্যমে দলের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আজ চতুর্থ দিন ধরে ঋতুপর্ণা চাকমা ও অন্যান্য খেলোয়াড়রা গা গরম করার কাজ করছেন। এই অনুশীলন মাঠের পাশেই বাংলাদেশ দলের হোটেল অবস্থিত হওয়ায়, হোটেল থেকে মাঠে আসা-যাওয়ার ঝামেলা অনেকাংশে কমেছে।
প্রথমবার জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়া আলপি আক্তার এই বিষয়ে মন্তব্য করেছেন, ‘এখানে অনেক গরম। আমাদের বাংলাদেশে এত গরম এখনও পড়ে নাই। এখানে অতিরিক্ত গরম। পরিবেশের সঙ্গে আপাতত মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি। আমরা এক জায়গায় থাকছি, এক জায়গায় মাঠ, জিম সবকিছু হচ্ছে। তো বাস দিয়ে মাঠে যাওয়া লাগছে না, এটা ভালো লাগছে।’
আলপি আক্তারের জাতীয় দলে প্রথম অভিজ্ঞতা
সর্বশেষ নারী ফুটবল লিগে চ্যাম্পিয়ন দলের হয়ে ১০ ম্যাচে ৩০ গোল করার কৃতিত্ব দেখিয়েছেন আলপি আক্তার। এছাড়া সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ টুর্নামেন্টেও তিনি সাফল্য অর্জন করেছেন, যেখানে তিনি সর্বোচ্চ ৭ গোল করেছেন। এই অসাধারণ পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবে তিনি জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন।
জাতীয় দলের সঙ্গে প্রথমবারের মতো ভ্রমণ এবং অনুশীলন করতে পেরে আলপি আক্তার খুশি প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, অনেক দিনের ইচ্ছা ছিল জাতীয় দলের সঙ্গে অনুশীলন করা এবং খেলা। তো সেই ইচ্ছাটা (অনুশীলন) পূরণ হয়েছে। ভালো লাগছে আপুদের সঙ্গে প্র্যাকটিস করে। অনেক ভালো প্র্যাকটিস হচ্ছে ওনাদের সঙ্গে।’
এশিয়ান কাপের সময়সূচি ও পরিকল্পনা
সিডনিতে অনুশীলন ক্যাম্প শেষে ২৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ দল এএফসি নির্ধারিত হোটেলে উঠবে। এশিয়ান কাপে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচে ৩ মার্চ বর্তমান চ্যাম্পিয়ন চীনের মুখোমুখি হবে। এরপর সিডনিতেই ৬ মার্চ উত্তর কোরিয়া এবং ৯ মার্চ পার্থে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে খেলবেন আফঈদা, ঋতুপর্ণা ও অন্যান্য খেলোয়াড়রা।
দলের এই প্রস্তুতি পর্যায়টি এশিয়ান কাপে ভালো ফলাফল অর্জনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। খেলোয়াড়রা পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন এবং দলগত অনুশীলনে মনোযোগ দিচ্ছেন।
