মে মাসে ৫৫ সাংবাদিক হামলা-মামলা-হুমকির শিকার
মে মাসে ৫৫ সাংবাদিক হামলা-মামলা-হুমকির শিকার

দেশে গত মে মাসে অন্তত ৫৫ জন সংবাদকর্মী হামলা, মামলা ও হুমকির শিকার হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ৩৮ জনই শারীরিকভাবে হামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। আর বাকি ১৭ জন আইনি হয়রানি, গ্রেপ্তার ও হুমকির শিকার হয়েছেন।

হামলার ধরন ও হামলাকারী

মাদক ব্যবসায়ী, কিশোর গ্যাং, রাজনৈতিক দলের উচ্ছৃঙ্খল নেতা–কর্মী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, ঠিকাদার ও হাসপাতালের কর্মীদের দ্বারা এই হামলা ও নির্যাতনের শিকার হন তাঁরা।

সোমবার সাংবাদিকদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব জার্নালিস্টের (বিএজে) মে মাসের প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। সংগঠনটির গবেষণা ও মনিটরিং সেলের সম্পাদক মাহমুদুল হাছান প্রতিবেদনটি গণমাধ্যমে পাঠিয়েছেন। দেশের মূলধারার বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ থেকে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিএজের প্রতিবেদনের বিস্তারিত

বিএজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের মে মাসে বাংলাদেশের সংবাদকর্মীদের জন্য কর্মপরিবেশ ছিল অত্যন্ত উদ্বেগজনক। গত মাসে অন্তত ৫৫ জন সংবাদমাধ্যমকর্মী বিভিন্ন ধরনের নিগ্রহের শিকার হয়েছেন। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তাঁরা শারীরিকভাবে হামলা, নির্যাতন, আইনি হয়রানি এবং জীবননাশের হুমকির সম্মুখীন হয়েছেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সারা দেশে ২১টি হামলায় ৩৮ জন সাংবাদিক শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ৯ জন বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা–কর্মীদের দ্বারা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দ্বারা ৪ জন, মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসীর দ্বারা ৮ জন, আইনজীবী, শিক্ষক ও অন্যান্য পেশাজীবীর হাতে ১২ জন আহত হয়েছেন। বাকিরা কিশোর গ্যাং ও ঠিকাদারের হাতে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর হুমকি

বিএজে বলছে, সাংবাদিকের আক্রান্ত হওয়ার এই দীর্ঘ তালিকা কেবল সংখ্যার হিসাব নয়, বরং এটি দেশে স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর বড় আঘাত। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং হামলাকারীদের দ্রুত বিচারের আওতায় না আনা হলে এই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।