বাংলাদেশ নারী জাতীয় ফুটবল দল বৃহস্পতিবার মাঠের অনুশীলন এড়িয়ে গেছে। কোচিং স্টাফ খেলোয়াড়দের সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে নেপালের বিপক্ষে জয়ের পর একটি পূর্ণাঙ্গ পুনরুদ্ধারের দিন দিয়েছেন।
পুনরুদ্ধার কার্যক্রম
খেলোয়াড়রা সকালে দলের হোটেলে আইস-বাথ সেশনে অংশ নেয়। এটি পুনরুদ্ধার কর্মসূচির অংশ ছিল। পরে দিনের বেলায় দলটি একটি ভিডিও বিশ্লেষণ সেশন এবং দলীয় বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা ছিল। সেখানে কোচিং স্টাফ পূর্ববর্তী ম্যাচ পর্যালোচনা করবেন এবং ফাইনালের আগে কৌশলগত পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করবেন।
সহকারী কোচের বক্তব্য
সহকারী কোচ আবুল হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারত উভয়েরই শিরোপা জেতার সমান সুযোগ রয়েছে। তিনি দুই ফাইনালিস্টকে শক্তিশালী দল হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি একটি ভিডিও বার্তায় বলেন, 'দুই দলই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সক্ষম। আমরা জয়ের ধারায় রয়েছি এবং ভারতের বিপক্ষে ফাইনালে আমাদের এই গতি বজায় রাখতে হবে।'
সেমিফাইনাল জয়
বাংলাদেশ বুধবার সেমিফাইনালে নেপালকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নেয়। ম্যাচের শুরুতে পিছিয়ে পড়ার পর ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা রিতু পূর্ণা চাকমা এবং বিকল্প খেলোয়াড় সাগোরিকার গোলে ফিরে আসে। এটি টানা তৃতীয়বারের মতো সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে পৌঁছানোর কৃতিত্ব অর্জন করে।
চোট পরিস্থিতি
দল ব্যবস্থাপনা নেপাল ম্যাচের পর কোনো বড় চোটের খবর জানায়নি। সেমিফাইনালে ডিফেন্ডার মোনিকা চাকমা সামান্য আঘাত পেয়েছেন এবং তিনি পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। তবে বাকি দল শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের জন্য ফিট বলে জানা গেছে।
শিরোপার লক্ষ্য
২০২২ এবং ২০২৪ সালের চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ টানা তৃতীয়বারের মতো সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিততে চায়। তাদের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে আয়োজক ভারত, যারা শেষ দুই আসর থেকে বঞ্চিত হয়ে আঞ্চলিক শিরোপা পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছে।
প্রস্তুতি ও ফাইনাল
দলটি শুক্রবার বাম্বোলিম অ্যাথলেটিক স্টেডিয়ামে আবার অনুশীলন শুরু করবে। ফাইনালটি শনিবার গোয়ার মারগাওয়ের জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। এই ফাইনাল বাংলাদেশের জন্য গ্রুপ পর্বে ভারতের কাছে ৩-০ গোলে হারের প্রতিশোধ নেওয়ারও একটি সুযোগ তৈরি করবে। এটি দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষ নারী ফুটবল দল হিসেবে তাদের অবস্থান আরও দৃঢ় করবে।



