দুই ওয়ানডে হেরে সিরিজ খুইয়েছে বাংলাদেশ। তবে শেষ ওয়ানডে জিতে হোয়াইটওয়াশ (২-১) এড়িয়েছে সফরকারীরা। তৃতীয় ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়েকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ।
ব্যাটিংয়ের দাপট
আগের দুই ম্যাচের ব্যাটিং ব্যর্থতা ছিল চোখে পড়ার মতো। হারারেতে এদিন সেই ব্যর্থতা পেছনে ফেলে দাপুটে ব্যাটিং করেছে বাংলাদেশ। ২০০ রানের মামুলি লক্ষ্যে ওপেনিং জুটিতেই ১৫১ রান যোগ করেন সৌম্য সরকার ও তানজিদ হাসান। সৌম্য ৮২ বলে ৬৯ রানে আউট হলে ভাঙে শুরুর জুটি। তাতে ছিল ৬টি চার ও ২টি ছয়ের মার।
তার পর সেঞ্চুরির পথেই ছিলেন তানজিদ। কিন্তু দলের রান যখন ১৯৭, তখন তাড়াহুড়ো দেখা যায় তার ব্যাটিংয়ে। যার মাশুল দেন ৯৪ রানে ক্যাচ তুলে। তার ১০১ বলের ইনিংসে ছিল ৮টি চার ও ৩টি ছয়। তার পর নতুন নামা তাওহীদ হৃদয়ও ফেরেন শূন্য রানে। শেষ পর্যন্ত ৩৬তম ওভারে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন নাজমুল হোসেন (১৮*) ও নুরুল হাসান (০*)।
জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং ধস
শুরুতে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে জিম্বাবুয়ে ৪৮.১ ওভারে ১৯৯ রানে থেমেছে। এবারও বাংলাদেশের বোলিং কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়ে জিম্বাবুয়ে। ১০৮ রানে পড়ে ষষ্ঠ উইকেট। দলকে দুইশ রানের কাছে নিয়ে যেতে বড় ভূমিকা ছিল ওয়েসলি মাধেভেরের দায়িত্বশীল ব্যাটিং ও শেষ দিকে বেন ইভান্সের ঝড়ো ফিফটির।
দলের ১৫১ রানে ফেরা মাধেভেরে খেলেছেন ৭৪ বলে ৭৫ রানের দারুণ ইনিংস। তাতে ছিল ৫টি চার ও ১টি ছক্কা। আর শেষদিকে ব্র্যাড ইভান্স ৪৩ বলে ৫ চার ও ২ ছক্কায় ঝড়ো ফিফটি তুলে জিম্বাবুয়ের ইনিংস সমৃদ্ধ করেছেন। এই দুজন ছাড়া জিম্বাবুয়ের অন্য ব্যাটারদের অবস্থা ছিল হতাশাজনক। বাকি সবাই মিলে ১৭২ বল খেলে করতে পেরেছেন মাত্র ৬১ রান।
বাংলাদেশের বোলিং নৈপুণ্য
বাংলাদেশের হয়ে ৪৪ রানে ৪ উইকেট নিয়ে সফল বোলার ছিলেন পেসার শরিফুল ইসলাম। দুটি করে নেন তাসকিন আহমেদ ও তানভীর ইসলাম। একটি নিয়েছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।



