বিসিবির ক্যাপ্টেনস কার্ড: সাবেক অধিনায়কদের জন্য চারটি বিশেষ সুবিধা ঘোষণা
বিসিবির ক্যাপ্টেনস কার্ড: সাবেক অধিনায়কদের বিশেষ সুবিধা

বিসিবির ক্যাপ্টেনস কার্ড: সাবেক অধিনায়কদের জন্য চারটি বিশেষ সুবিধা ঘোষণা

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল গতকাল সোনারগাঁ হোটেলে এক অনুষ্ঠানে জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়কদের হাতে 'ক্যাপ্টেনস কার্ড' তুলে দিয়েছেন। আজীবন মেয়াদের এই কার্ড নিয়ে এখন থেকে সাবেক অধিনায়করা পাবেন একাধিক বিশেষ সুবিধা, যা তাদের সম্মান ও সেবা প্রদানের লক্ষ্যে চালু করা হয়েছে।

ক্যাপ্টেনস কার্ডে মিলবে যেসব সুবিধা

এই কার্ডের মাধ্যমে সাবেক অধিনায়করা নিম্নলিখিত চারটি প্রধান সুবিধা ভোগ করতে পারবেন:

  • বিসিবির যেকোনো ইভেন্টে প্রবেশাধিকার: ক্যাপ্টেনস কার্ড দিয়ে সাবেক অধিনায়করা এখন থেকে বিসিবির যেকোনো ম্যাচ ও ইভেন্টে, দেশে ও দেশের বাইরে বিনা বাধায় প্রবেশ করতে পারবেন। এটি তাদের ক্রিকেটের সাথে নিবিড় সংযোগ বজায় রাখতে সহায়তা করবে।
  • পার্কিং সুবিধা: বিসিবিতে ভিভিআইপি কার পার্কিংয়ের সুবিধা পাবেন সব সাবেক অধিনায়ক, যা তাদের যাতায়াতকে আরও সহজ ও সম্মানজনক করে তুলবে।
  • বিসিবির মেডিকেল সুবিধা: বর্তমান জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের মতোই বিসিবির মেডিকেল বিভাগ থেকে চিকিৎসাসেবা পাবেন কার্ডধারী সাবেক অধিনায়করা। প্রয়োজন হলে বিদেশে চিকিৎসার জন্যও সাবেক অধিনায়কদের পাশে থাকবে বিসিবি, যা তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
  • স্বাস্থ্য বিমা: সাবেক অধিনায়কদের জন্য স্বাস্থ্য বিমার ব্যবস্থাও করবে বিসিবি, যা তাদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এবং চিকিৎসা খরচ মেটাতে সাহায্য করবে।

কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানের বিস্তারিত

অনুষ্ঠানে পুরুষ দলের সাবেক ও বর্তমান অধিনায়কদের মধ্যে ২০ জন এবং নারী দলের অধিনায়ক রুমানা আহমেদ কার্ড গ্রহণ করেন। যারা আসতে পারেননি, তাদের জন্য তামিম ইকবাল জানিয়েছেন যে যেকোনো সময় এসে কার্ড সংগ্রহ করার সুযোগ থাকবে। এই উদ্যোগটি সাবেক অধিনায়কদের প্রতি বিসিবির কৃতজ্ঞতা ও সম্মান প্রদর্শনের একটি অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তামিম ইকবাল বলেন, 'সাবেক অধিনায়করা দেশের ক্রিকেটের জন্য অমূল্য অবদান রেখেছেন। ক্যাপ্টেনস কার্ডের মাধ্যমে আমরা তাদের সম্মান ও সেবা প্রদান করতে চাই, যা তাদের জীবনযাত্রাকে আরও সহজ ও নিরাপদ করবে।' এই পদক্ষেপটি ক্রিকেট সম্প্রদায়ের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে এবং ভবিষ্যতে অন্যান্য ক্রীড়া সংস্থার জন্য একটি মডেল হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মত প্রকাশ করেছেন।