বিসিবির অ্যাডহক কমিটির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ
বিসিবির অ্যাডহক কমিটির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টার

বিসিবির অ্যাডহক কমিটির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বর্তমান অ্যাডহক কমিটির বৈধতা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। বুধবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, বিসিবির সংবিধানে 'অ্যাডহক কমিটি' বলতে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই।

সংবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগ

সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা তার পোস্টে সরাসরি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদকে উদ্দেশ্য করে বলেন, বিগত বিসিবি নির্বাচন বিসিবির নিজস্ব সংবিধান মেনেই সম্পন্ন করা হয়েছিল। তিনি উল্লেখ করেন, সেই সময় সংবিধান অনুসরণ করার কারণেই রাজনৈতিক নেতাদের কাউন্সিলর করা সম্ভব হয়নি।

বর্তমান কমিটির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, 'অ্যাডহক কমিটি বলতে কিছুই বিসিবির সংবিধানে নেই। শুধু দেশের সংবিধানই কি সংবিধান? বিসিবির সংবিধান কি সাদা-কালো কাগজ?'

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও রাজনৈতিক সমালোচনা

এর আগে বিকেল এক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে আসিফ মাহমুদ আরও বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে দেওয়া বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বলেন, বিসিবি নির্বাচনে কাউন্সিলর বাছাই করা হয়েছিল যথাযথ নিয়ম মেনে।

কিন্তু তৎকালীন বিরোধী অবস্থানে থাকা বর্তমান সরকারি দলের পক্ষ থেকে এমন ব্যক্তিদের নাম পাঠানোর চাপ ছিল, যাদের সঙ্গে খেলাধুলার কোনো সম্পর্ক নেই। নিয়ম রক্ষার্থেই তখন সেসব প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়নি।

বক্তব্যে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিরও সমালোচনা করেন আসিফ মাহমুদ। তিনি মন্তব্য করেন, বিএনপি সরকার গঠনের মাত্র দুই মাসের মধ্যেই দমনমূলক প্রবণতার স্পষ্ট লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। আওয়ামী লীগ ধীরে ধীরে এই পর্যায়ে উপনীত হয়েছিল, কিন্তু বিএনপি খুব দ্রুতই সেই পথে এগিয়ে যাচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই বক্তব্য ক্রিকেট প্রশাসন ও রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের সূচনা করেছে, যা বিসিবির ভবিষ্যৎ গঠন ও পরিচালনাকে প্রভাবিত করতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিচ্ছেন।