ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দাবি: জাইমা রহমান চেলসির নারী দলে গোলরক্ষক হিসেবে সুযোগ পেয়েছিলেন
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক একটি সাক্ষাৎকারে দাবি করেছেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমান ইংলিশ ক্লাব চেলসির নারী দলে গোলরক্ষক হিসেবে সুযোগ পেয়েছিলেন। যমুনা টিভিকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এই তথ্য প্রকাশ করেন এবং প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের খেলাধুলার প্রতি গভীর অনুরাগের কথা উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের খেলাধুলার প্রতি অনুরাগ
আমিনুল হক বলেন, 'আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডাক্তার জুবাইদা রহমান এবং তার সুযোগ্য কন্যা জাইমা রহমান তারা কিন্তু অসম্ভব খেলাধুলাকে পছন্দ করেন।' তিনি ব্যাখ্যা করেন যে, লন্ডনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় তিনি সরাসরি ডাক্তার জুবাইদা রহমান এবং জাইমা রহমানের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পেয়েছিলেন। প্রতিমন্ত্রী আরও যোগ করেন, প্রধানমন্ত্রীর চেয়েও তার স্ত্রী ও কন্যা খেলাধুলা বেশি পছন্দ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, 'আমিনুল আমি যতটুকু না স্পোর্টস পছন্দ করি তার চেয়ে থাউজেন্ড টাইম বেশি পছন্দ করে তোমাদের ভাবি এবং আমার মেয়ে জাইমা রহমান।' এই মন্তব্য থেকে স্পষ্ট হয় যে, প্রধানমন্ত্রীর পরিবারে খেলাধুলার প্রতি একটি প্রবল আবেগ ও সমর্থন রয়েছে।
জাইমা রহমানের চেলসিতে সুযোগের বিবরণ
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জাইমা রহমানের সম্ভাব্য ফুটবল ক্যারিয়ার সম্পর্কে বিস্তারিত জানান। তিনি বলেন, 'সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে যে আমাদের জাইমা রহমান তিনি কিন্তু চেলসির মেয়েদের ফুটবল টিমেও সুযোগ পেয়েছিলেন। তিনি একজন গোলকিপার হিসেবে ছিলেন। তিনি বেশ ভালো লম্বা এবং সেই সুযোগটা পেয়েছিলেন।' এই দাবি অনুযায়ী, জাইমা রহমান তার উচ্চতা ও দক্ষতার কারণে চেলসির নারী দলে গোলরক্ষক হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন।
তবে, আমিনুল হক আরও উল্লেখ করেন যে, পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী হয়তো তাকে সেই খেলার সুযোগটি তৈরি করে দেননি। তিনি বলেন, 'কিন্তু পরবর্তীতে আসলে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী হয়তো বা তাকে খেলার সেই সুযোগটি তৈরি করে দেননি।' প্রতিমন্ত্রী নিজের মতামত প্রকাশ করে যোগ করেন, 'বেসিক্যালি আমি যতটুকু জানি যে তিনি আমার মত একজন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ভক্ত।' এই মন্তব্য থেকে বোঝা যায়, জাইমা রহমানের ফুটবল পছন্দের দিকেও আলোকপাত করা হয়েছে।
খেলাধুলায় নারী অংশগ্রহণ ও পরিবারিক সমর্থন
এই ঘটনা খেলাধুলায় নারী অংশগ্রহণ এবং পরিবারিক সমর্থনের গুরুত্ব তুলে ধরে। প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যদের খেলাধুলার প্রতি এই অনুরাগ একটি ইতিবাচক বার্তা দিতে পারে, বিশেষ করে তরুণ নারী ক্রীড়াবিদদের জন্য। আমিনুল হকের এই দাবি ফুটবল বিশ্বে বাংলাদেশের সম্ভাবনা এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সুযোগ সৃষ্টির বিষয়েও আলোচনার দরজা খুলে দিয়েছে।
সামগ্রিকভাবে, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর এই বক্তব্য রাজনৈতিক ও ক্রীড়া মহলে আলোচনার জন্ম দিতে পারে, যেখানে জাইমা রহমানের ক্রীড়া প্রতিভা এবং প্রধানমন্ত্রী পরিবারের খেলাধুলার প্রতি ভালোবাসা কেন্দ্রীয় বিষয় হয়ে উঠেছে।



