তানজিদ তামিমের সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের ২৯০ রান, পাকিস্তানের লক্ষ্য ২৯১
তানজিদ তামিমের সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের ২৯০ রান

তানজিদ তামিমের সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের ২৯০ রান, পাকিস্তানের লক্ষ্য ২৯১

দাপুটে জয়ে সিরিজ শুরু করেছিল বাংলাদেশ। তবে পরের ম্যাচেই বড় জয়ে সিরিজে সমতা ফেরায় পাকিস্তান। ফলে শেষ ম্যাচটি হয়ে দাঁড়ায় সিরিজ নির্ধারণী। এমন ম্যাচে সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। তবুও স্কোরবোর্ডে তিনশো রান জমা করতে পারেনি স্বাগতিকরা। পাকিস্তানকে ২৯১ রানের টার্গেট দিয়েছে মেহেদি হাসান মিরাজের দল।

টস জিতে ব্যাটিংয়ে পাঠায় পাকিস্তান

রোববার (১৫ মার্চ) মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠান পাকিস্তানের অধিনায়ক শাহীন আফ্রিদি। আগে ব্যাট করতে নেমে সাবধানী শুরু করেন দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও তানজিদ তামিম। ধীরে ধীরে রানের গতি বাড়ান তারা। দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে পাওয়ার প্লের ১০ ওভারে ৫০ রান সংগ্রহ করেন এই দুই ওপেনার। সাইফের চেয়ে বেশি আগ্রাসী ব্যাটিং করতে থাকেন তানজিদ তামিম। ৪৭ বলে ফিফটি তুলে নেন এই টাইগার ওপেনার। দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে শতরানের জুটি গড়েন সাইফ-তানজিদ তামিম।

প্রথম উইকেটের পতন ও তামিমের সেঞ্চুরি

তবে দলীয় ১০৫ রানে প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ৫৫ বলে ৩৬ রান করে শাহীন আফ্রিদির বলে বোল্ড হন সাইফ। এরপর নাজমুল হাসান শান্তকে সঙ্গে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন তানজিদ তামিম। ৫৩ রানের জুটি গড়েন তারা। তবে দলীয় ১৫৮ রানে ৩৪ বলে ২৭ রান করে সাজঘরে ফিরে যান শান্ত। তবে দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ঠিকই সেঞ্চুরি তুলে নেন তানজিদ তামিম। ৯৮ বলে তিন অঙ্কের ঘর স্পর্শ করেন তিনি। ৯৪ রানে থাকা অবস্থায় সালমান আগাকে ছক্কা মেরে ১০০–তে পৌঁছেছেন তানজিদ হাসান। এটি ওয়ানডেতে তার প্রথম সেঞ্চুরি।

সেঞ্চুরির পর দলের রান সংগ্রহ

সেঞ্চুরি তুলে নেওয়ার পর পরই সাজঘরে ফিরে যান তানজিদ তামিম। ৬ চার ও ৭ ছক্কায় ১০৭ বলে ১০৭ রান করেন তিনি। এরপর তাওহিদ হৃদয়ের সঙ্গে ৬৮ রানের জুটি গড়েন লিটন দাস। এরপর দ্রুতই জোড়া উইকেট হারায় বাংলাদেশ। লিটন ৫১ বলে ৪১ ও রানের খাতা খোলার আগেই আউট হন রিশাদ হোসেন। শেষ দিকে হৃদয়ের ৪৮ রানে ভর করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৯০ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ। পাকিস্তানের পক্ষে পেসার হারিস রউফ নিয়েছেন ৩টি উইকেট।