ভারতের সুপার এইট পর্বে চ্যালেঞ্জ: জিম্বাবুয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুখোমুখি
সুপার এইট পর্ব শুরু হয়েছে ভারতের জন্য কিছুটা শঙ্কা নিয়ে, দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে বড় হারের পর। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন হিসেবে সেমিফাইনালে যাওয়ার আশা এখন ঝুঁকিতে, বিশেষ করে সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বাধীন দলের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ভারতের হাতে এখন দুটি ম্যাচ বাকি: ২৬ ফেব্রুয়ারি চেন্নাইয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এবং ১ মার্চ কলকাতায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। এই ম্যাচগুলো জিতলেও সেমিফাইনাল নিশ্চিত নয়, আবার মাত্র একটি জয়েও উঠে যাওয়া সম্ভব, তবে সেক্ষেত্রে অন্যান্য ম্যাচের ফলাফল সহায়ক হতে হবে।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ভারতের অবস্থান
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচটি চেন্নাইয়ে অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে ভারত ১০-৩ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে হেড-টু-হেড রেকর্ডে। সর্বশেষ র্যাঙ্কিংয়ে ভারত প্রথম স্থানে, আর জিম্বাবুয়ে ১১তম। ২০২৪ সালের ৬ জুলাই, টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের মাত্র সাত দিন পর, ভারত দ্বিতীয় সারির দল নিয়ে জিম্বাবুয়েতে হেরে যায়, যদিও পরবর্তীতে সিরিজ ৪-১ ব্যবধানে জিতে নেয়। এই সিরিজে অভিষেক শর্মার অভিষেক হয়, যিনি পরের ম্যাচে ৪৭ বলে ১০০ রান করে দৃষ্টি কেড়েছিলেন। টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে দুদল একবারই মুখোমুখি হয়েছে ২০২২ সালে, যেখানে ভারত ৭১ রানে জয়ী হয়। এবারই প্রথম ঘরের মাঠে এই সংস্করণে জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হচ্ছে ভারত।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ভারতের চ্যালেঞ্জ
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচটি কলকাতার ইডেন গার্ডেনে হবে, যেখানে ভারত ১৯-১০ ব্যবধানে এগিয়ে। সর্বশেষ র্যাঙ্কিংয়ে ভারত প্রথম এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ সপ্তম। ২০২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রে সর্বশেষ দেখা যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ জয়ী হয়, সিরিজটি ৩-২ ব্যবধানে জিতে নেয়। টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এগিয়ে রয়েছে, চার ম্যাচের তিনটিতেই জয়ী হয়েছে, সর্বশেষ ২০১৬ সালে মুম্বাইয়ে ৭ উইকেটে জয় পায়। তবে ঘরের মাঠে ভারতের রেকর্ড শক্তিশালী: ১০ ম্যাচে আটবার জয়, এবং ইডেন গার্ডেনে চারবার খেলে চারবারই জয়ী হয়েছে, সর্বশেষ ২০২২ সালে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ফর্মও ভারতের জন্য দুশ্চিন্তার কারণ, কারণ তারা বিশ্বকাপের পাঁচটিসহ সর্বশেষ ছয় ম্যাচ জিতেছে, গত মাসে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে এই ধারা শুরু করেছে।
ভারতের জন্য সবচেয়ে সহজ পথ হচ্ছে জিম্বাবুয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজকে বড় ব্যবধানে হারানো, যা নেট রান রেট বাড়িয়ে সেমিফাইনালের সম্ভাবনা জোরদার করবে। তবে ইতিহাস ও বর্তমান ফর্ম বিবেচনায়, এই ম্যাচগুলো চ্যালেঞ্জিং হতে পারে, এবং দলটিকে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা দিতে হবে প্রতিপক্ষদের মোকাবিলায়।
