পাকিস্তানের সুপার এইট নিশ্চিত, ফারহানের সেঞ্চুরিতে নামিবিয়াকে হার
ফারহানের সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানের সুপার এইট নিশ্চিত

পাকিস্তানের সুপার এইট নিশ্চিত, ফারহানের সেঞ্চুরিতে নামিবিয়াকে হার

কলম্বোতে বুধবার অনুষ্ঠিত টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের একটি মাস্ট-উইন ম্যাচে নামিবিয়াকে ৩১ রানে হারিয়ে সুপার এইট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করেছে সালমান আগার নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান ক্রিকেট দল। এই জয়ে পাকিস্তানকে অপরাজিত সেঞ্চুরি উপহার দিয়েছেন সাহেবজাদা ফারহান, যিনি ম্যাচসেরা নির্বাচিত হয়েছেন।

ফারহানের বিস্ফোরক ইনিংস

২৯ বছর বয়সী সাহেবজাদা ফারহান তার প্রথম আন্তর্জাতিক টি–টোয়েন্টি ম্যাচে ৫৮ বলে অপরাজিত ১০০ রানের একটি বিস্ফোরক ইনিংস উপহার দিয়েছেন। তার এই ইনিংসে ছিল ৪টি ছক্কা ও ১১টি চার, যা পাকিস্তানকে ৩ উইকেটে ১৯৯ রানের একটি প্রতিযোগিতামূলক সংগ্রহ গড়তে সাহায্য করেছে। তিনি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দ্বিতীয় পাকিস্তানি হিসেবে সেঞ্চুরি করার কীর্তি গড়েছেন।

পাকিস্তানের ব্যাটিং পারফরম্যান্স

টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান দল। বাবর আজমকে একাদশের বাইরে রেখে পাঁচ নম্বরে খেলতে নামেন শাদাব খান, যিনি ২২ বলে অপরাজিত ৩৬ রানের একটি দ্রুতগতির ইনিংস খেলেছেন। তার ইনিংসে তিনটি ছক্কা ও একটি চার ছিল। শেষ তিন ওভারে পাকিস্তান ৪২ রান তুলে ইনিংসকে শক্তিশালী করে।

ফারহান সাইম আইয়ুবের সঙ্গে উদ্বোধনী জুটিতে ৪০ রান যোগ করেন, পরে অধিনায়ক সালমান আগার সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে ৬৭ রানের জুটি গড়ে ইনিংসের ভিত মজবুত করেন। শাদাব খানের সঙ্গে তার ৪০ বলে অপরাজিত ৮১ রানের পার্টনারশিপ ইনিংসকে চূড়ান্ত রূপ দেয়।

নামিবিয়ার ব্যর্থতা

জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে নামিবিয়া দল পুরোপুরি ব্যর্থ হয়। পাকিস্তানি বোলিং আক্রমণের সামনে তারা কোনও ধরনের প্রতিরোধ গড়তে পারেনি। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে নামিবিয়া মাত্র ১৭.৩ ওভারে ৯৭ রানে অল আউট হয়ে যায়।

ওপেনার লরেন স্টিনক্যাম্প ২৩ রান ও আলেকজান্ডার বুসিং ভলশঙ্ক ২০ রান করে ডাবল ডিজিটে স্কোর করতে সক্ষম হলেও বাকি ব্যাটাররা ব্যর্থ হন।

পাকিস্তানের বোলিং ডোমিনেন্স

পাকিস্তানের বোলিং আক্রমণে উসমান তারিক ১৬ রানে ৪টি উইকেট নিয়ে সেরা বোলার হিসেবে আবির্ভূত হন। শাদাব খান ১৯ রানে ৩টি উইকেট নেন, যা দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রথম তিন ম্যাচে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর পেসার শাহীন শাহ আফ্রিদিকেও এই ম্যাচে একাদশের বাইরে রাখা হয়েছিল।

এই জয়ের মাধ্যমে পাকিস্তান টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইট পর্বে তাদের অবস্থান নিশ্চিত করেছে, যা দলের জন্য একটি বড় অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।