নামিবিয়াকে হারিয়ে সুপার এইটে পাকিস্তান, ফারহানের সেঞ্চুরিতে জয়
নামিবিয়াকে হারিয়ে সুপার এইটে পাকিস্তান

নামিবিয়াকে হারিয়ে সুপার এইটে পাকিস্তান, ফারহানের সেঞ্চুরিতে জয়

বাঁচা-মরার লড়াইয়ের ম্যাচে নামিবিয়াকে হারিয়ে সুপার এইটে চলে গেলো পাকিস্তান ক্রিকেট দল। বুধবার শ্রীলংকার সিংহলিজ ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ম্যাচে নামিবিয়াকে ৯৭ রানে অলআউট করে ১০২ রানের বিশাল ব্যবধানে জয় পায় পাকিস্তান। এই জয়ে এ গ্রুপ থেকে চার ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে সুপার এইটে চলে গেলে পাকিস্তান। এ গ্রুপ থেকে এর আগে সুপার এইটে খেলা নিশ্চিত করে ভারত। ভারত-পাকিস্তান সুপার এইটে চলে যাওয়ায় গ্রুপপর্ব থেকে বিদায় নেয় নামিবিয়া, নেদারল্যান্ডস ও যুক্তরাষ্ট্র।

ফারহানের অনবদ্য সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানের বিশাল সংগ্রহ

এদিন নামিবিয়ার বিপক্ষে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে শাহিবজাদা ফারহানের অনবদ্য সেঞ্চুরিতে ভর করে ৩ উইকেটে ১৯৯ রানের পাহাড় গড়ে পাকিস্তান। পাকিস্তানের ইনিংস ওপেন করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা করেন শাহিবজাদা ফারহান ও সাইম আইয়ুব। ওপেনিং জুটিতে সাইম আইয়ুবের সঙ্গে গড়েন ৩১ বলে ৪০ রানের জুটি। এরপর দ্বিতীয় উইকেটে অধিনায়ক আগা সালমানের সঙ্গে ৪২ বলে গড়েন ৬৭ রানের জুটি। চতুর্থ উইকেটে শাদাব খানের সঙ্গে ৪০ বলে ৮১ রানের অনবদ্য জুটি গড়েন ফারহান। এই জুটিতেই টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে ৪৩তম ম্যাচে প্রথম সেঞ্চুরি হাঁকান ফারহান। তার সেঞ্চুরিময় ম্যাচে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৩ উইকেট হারিয়ে ১৯৯ রান। দলের হয়ে ৫৭ বলে ১০০ রান করেন শাহিবজাদা ফারহান। ২২ বলে এক চার আর তিন ছক্কায় ৩৬ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন শাদাব খান। ২৩ বলে তিন চার আর দুই ছক্কায় ৩৮ রান করেন অধিনায়ক আগা সালমান।

নামিবিয়ার ব্যাটিং বিপর্যয়

টার্গেট তাড়া করতে নেমে উসমান তারেক ও শাদাব খানের ঘূর্ণি বলে বিভ্রান্ত হয়ে ১৭.৩ ওভারে ৯৭ রানে অলআউট হয় নামিবিয়া। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২৩ রান করেন ওপেনার লরেন স্টিনক্যাম্প। ২০ রান করেন আলেকজান্ডার বাসিং ভোলশেঙ্ক। পাকিস্তানের ৩.৩ ওভারে ১৮ রানে ৪ উইকেট নেন উসমান তারিক। ৪ ওভারে ১৯ রানে ৩ উইকেট নেন শাদাব খান। এই ব্যাটিং বিপর্যয়ের ফলে নামিবিয়া দল ম্যাচে হেরে গ্রুপপর্ব থেকে বিদায় নেয়।

এই জয়ে পাকিস্তান দল সুপার এইট পর্বে তাদের অবস্থান শক্তিশালী করে তুলেছে। আগামী ম্যাচগুলোতে তাদের পারফরম্যান্স ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য উৎসাহের বিষয় হয়ে উঠবে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ পাকিস্তানের এই সাফল্য দলের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।