প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক: সাকিব-মাশরাফির মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি হলে ক্রিকেটে ফেরানো সম্ভব
সাকিব-মাশরাফির মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি হলে ক্রিকেটে ফেরানো সম্ভব: আমিনুল হক

প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক: সাকিব-মাশরাফির মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি হলে ক্রিকেটে ফেরানো সম্ভব

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর সন্ধ্যায় মিরপুরের নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় অংশ নেন আমিনুল হক। জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক এই অধিনায়ক স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, সাকিব আল হাসান ও মাশরাফি বিন মুর্তজার বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তি হলে তাদের আবার দেশের ক্রিকেটে ফেরানো সম্ভব হতে পারে।

সাকিব-মাশরাফির দেশে ফেরার পথে মামলা প্রধান বাধা

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগের হয়ে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও জাতীয় দলের অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান দেশে ফেরেননি। অন্যদিকে, সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মুর্তজাকেও দীর্ঘ সময় প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। দুজনের বিরুদ্ধেই একাধিক মামলা রয়েছে, যার মধ্যে হত্যা মামলা এবং সাকিবের নামে কয়েকটি দুর্নীতির মামলা উল্লেখযোগ্য।

এ প্রসঙ্গে আমিনুল হক বলেন, ‘যেহেতু তাদের বিরুদ্ধে মামলা আছে, সেটাকে দ্রুত সমাধানের মাধ্যমে আমিও চাই সাকিব–মাশরাফিরা যেন আবার বাংলাদেশের ক্রিকেটে ফিরে আসতে পারে। আমরা এই জায়গাটাকে অত্যন্ত নমনীয় ও সহনশীলভাবে প্রাধান্য দিতে চাই।’

তাদের দেশে ফেরানোর বিষয়ে তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা চাই, যে মামলাগুলো হয়েছে, সেগুলো রাষ্ট্রীয়ভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে সে যেন বাংলাদেশে দ্রুত ফিরে আসতে পারে।’

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচন নিয়ে প্রতিমন্ত্রীর মন্তব্য

এদিকে গত বছরের অক্টোবরে বোর্ড নির্বাচনের পর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড–এর সভাপতি হন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম। ওই নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে আগে প্রশ্ন তুলেছিলেন আমিনুল হক। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি বলেন, আইসিসির নিয়ম মেনে বোর্ডের বিষয়ে এগোতে চান তারা।

তার ভাষায়, ‘ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচন নিয়ে আমি আগেও বলেছি, এখনো বলছি, অনেক প্রশ্নবিদ্ধ একটি নির্বাচন হয়েছে। কিন্তু যেহেতু এখন একটি দায়িত্বশীল জায়গায় আছি, আমি তাদের সঙ্গে বসে আলোচনার মাধ্যমে ঠিক করব, কীভাবে আমরা ভালো একটি পর্যায়ে যেতে পারি।’

আমিনুল হকের এই বক্তব্য বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ এবং দুর্নীতি মামলায় জড়িত তারকাদের প্রত্যাবর্তন নিয়ে নতুন আলোচনার সূত্রপাত করেছে। ক্রীড়া প্রশাসনে তার নতুন ভূমিকা কীভাবে এই ইস্যুগুলো সমাধানে ভূমিকা রাখবে, তা এখন সবার নজরে।