আইপিএলের ফাইনালে গুজরাট টাইটান্সের বিপক্ষে ব্যাট করার সময় এক বিতর্কিত সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে মাঠে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। আউট ঘোষণার পর আম্পায়ার ও গুজরাট অধিনায়ক শুভমন গিলের সঙ্গে আলোচনা করতে দেখা যায় বিরাট কোহলিকে।
ঘটনার বিবরণ
বেঙ্গালুরুর ইনিংসের ১৬তম ওভারের শেষ বলে ঘটনাটি ঘটে। আরশাদ খানের বল মিড-অফের দিকে তুলে মারেন কোহলি। সামনে ঝাঁপিয়ে ক্যাচ নেন শুভমন। তবে কোহলির বিশ্বাস ছিল, বলটি মাটি স্পর্শ করেছে। সে কারণে আউটের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে দেখা যায়নি তাকে।
মাঠের আম্পায়ার নিতিন মেনন প্রথমে কোহলিকে মাঠ ছাড়ার ইঙ্গিত দেন। কিন্তু কোহলি নিজের অবস্থানে অনড় থাকেন। পরে সিদ্ধান্তটি তৃতীয় আম্পায়ারের কাছে পাঠানো হয়।
তৃতীয় আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত
রিপ্লেতে স্পষ্ট প্রমাণ না মিললেও তৃতীয় আম্পায়ার মনে করেন, বলের একটি অংশ মাটি স্পর্শ করেছিল। ফলে মাঠের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে কোহলিকে নট আউট ঘোষণা করা হয়। এই সিদ্ধান্ত ঘিরেই বিতর্কের সৃষ্টি হয়।
সিদ্ধান্ত ঘোষণার আগে শুভমন গিলের সঙ্গেও কোহলিকে বেশ কিছুক্ষণ কথা বলতে দেখা যায়। নট আউট ঘোষণার পরও নিজের প্রতিক্রিয়া স্পষ্টভাবেই প্রকাশ করেন বেঙ্গালুরুর এই ব্যাটার।
কোহলির ইনিংস
তখন কোহলির সংগ্রহ ছিল ৬৩ রান। জীবন পাওয়ার পর আর সুযোগ দেননি তিনি। শেষ পর্যন্ত লং-অনের ওপর দিয়ে ছক্কা মেরে ম্যাচ শেষ করেন। ৪২ বলে ৯ চার ও ৩ ছক্কায় ৭৫ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।
কোহলির ইনিংসে ভর করে ১৫৬ রানের লক্ষ্য ১৮ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে পেরিয়ে যায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। ৫ উইকেটের জয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো আইপিএল শিরোপা জেতে দলটি।
গুজরাটের ইনিংস
এর আগে গুজরাট টাইটান্স ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৫৫ রান করে। ওয়াশিংটন সুন্দর ৩৭ বলে অপরাজিত ৫০ রান করেন। বেঙ্গালুরুর হয়ে রাসিখ সালাম দার ২৭ রানে ৩ উইকেট নেন। এ ছাড়া ভুবনেশ্বর কুমার ও জশ হ্যাজলউড দুটি করে উইকেট শিকার করেন।



