চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি যৌথ অভিযানে ১ হাজার ৬৯৮ কার্টন বিদেশি সিগারেট জব্দ করা হয়েছে। রোববার (৩১ মে) রাতে শারজাহ থেকে আসা একটি ফ্লাইটের যাত্রীদের ব্যাগেজ ও লাগেজ তল্লাশি করে এই বিপুল পরিমাণ সিগারেট উদ্ধার করা হয়।
অভিযানের বিবরণ
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, রোববার রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে বিমানবন্দরের এনএসআই, ডিজিএফআই, কাস্টমস ইন্টেলিজেন্স, এভিয়েশন সিকিউরিটি এবং বিমানবন্দর কাস্টমসের সমন্বয়ে গঠিত একটি যৌথ দল আন্তর্জাতিক আগমন হলের ৩ নম্বর গেট এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় শারজাহ থেকে আসা এয়ার আরাবিয়ার ফ্লাইট জি-৯৫২০-এর তিন যাত্রীর ব্যাগেজ তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ বিদেশি সিগারেট জব্দ করা হয়।
জব্দকৃত সিগারেটের পরিমাণ
অভিযানে তিন যাত্রীর কাছ থেকে ১ হাজার ২ কার্টন এবং একই সময়ে লাগেজ বেল্টে মালিকবিহীন অবস্থায় থাকা আরও ৬৯৬ কার্টন সিগারেট উদ্ধার করা হয়। জব্দ করা সিগারেটগুলোর মধ্যে মন্ড ও ম্যানচেস্টার ব্র্যান্ডের সিগারেট ছিল। সব মিলিয়ে উদ্ধার হওয়া সিগারেটের পরিমাণ ১ হাজার ৬৯৮ কার্টন।
আটক যাত্রীদের পরিচয়
পণ্য বহনের অভিযোগে যাদের ব্যাগেজ তল্লাশি করা হয়েছে তারা হলেন লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জের মো. মোস্তফা কামাল সুমন, চট্টগ্রামের হাটহাজারীর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ তালুকদার এবং রাঙ্গুনিয়ার মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন তালুকদার।
রাজস্ব ও পরবর্তী পদক্ষেপ
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্ধার করা সিগারেট থেকে সম্ভাব্য রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ ৩৩ লাখ ৯৬ হাজার টাকা। জব্দ করা চালান ডিপার্টমেন্টাল মেমোরেন্ডাম (ডিএম) মূল্যে জব্দ করে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের হেফাজতে রাখা হয়েছে। শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, আটক তিন যাত্রীকে বিমানবন্দরের কাস্টমস ইন্টেলিজেন্স ও কাস্টমস শাখা মৌখিকভাবে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আমদানি-নিষিদ্ধ পণ্যের অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ এবং সরকারি রাজস্ব ফাঁকি রোধে বিমানবন্দরের গোয়েন্দা সংস্থা, কাস্টমস ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি অব্যাহত থাকবে।



