বিমানবন্দরের পথে বিদায়ের সকাল: ম্যারাথন দলের শেষ মুহূর্তের দেখা
বিদায়ের সকাল: ম্যারাথন দলের শেষ মুহূর্তের দেখা

বিমানবন্দরের পথে বিদায়ের সকাল: ম্যারাথন দলের শেষ মুহূর্তের দেখা

১৯ সেপ্টেম্বরের সকালটা একটু অন্যরকম বিষণ্ণতায় ভরা মনে হলো। ম্যারাথন কর্তৃপক্ষ আগেই আমার কাছ থেকে জেনে রেখেছিল ঠিক কখন আমি বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দেব। আমি তাদের বলেছিলাম, সকাল সাড়ে বারোটায় নাগাদ বের হব।

আমি এমনিতেই ভোরে উঠার অভ্যাস রাখি, আর এদিনও ভোরবেলা উঠে পড়লাম। প্রথমে লেখালিখির কাজগুলো সেরে নিলাম, তারপর নিচে গেলাম নাশতা করতে। অন্য দিনের তুলনায় কিছুটা আগেই নাশতার জন্য নেমে গেলাম, যেন খাওয়া শেষ করে আরেকটু সময় পাই ঘোরাঘুরি করার জন্য।

নাশতা শেষে শেষ মুহূর্তের দেখা

নাশতা শেষ করে যখন ঘুরতে বেরোলাম, তখন পথে অন্যদের সঙ্গে দেখা হলো। প্রথমে এলেনাকে বিদায় জানালাম, তারপর পাওলাকেও। আহমেদ শাওকির সঙ্গেও সাক্ষাৎ হলো, আর সুলতানের সাথেও দেখা হয়ে গেল। যাঁর যাঁর সঙ্গে দেখা হলো, সবাইকে শেষবারের মতো বিদায় জানিয়ে বেরিয়ে গেলাম আরেকটু ঘোরাঘুরি করতে।

এই শেষ মুহূর্তের ঘোরাঘুরি যেন এক ধরনের প্রস্তুতি ছিল বিমানবন্দরের পথে যাত্রার জন্য। ম্যারাথন কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয় করে রাখা সময়ের আগে এই ছোট্ট অবসরটা কাজে লাগালাম পরিচিত মুখগুলোর সাথে শেষ দেখা সেরে নিতে।

সকালের এই বিষণ্ণতা কাটিয়ে উঠতে ঘোরাঘুরি ও বিদায়ের দেখা যেন একটু স্বস্তি দিল। সব মিলিয়ে, ১৯ সেপ্টেম্বরের এই সকালটি ছিল এক বিশেষ মুহূর্ত, যেখানে দ্রুতগতির জীবনের মাঝে একটু থেমে শেষবারের মতো কাছের মানুষদের সাথে দেখা করার সুযোগ তৈরি হলো।