ষষ্ঠবারের মতো দেশের দ্রুততম মানব হয়েছেন ইমরানুর রহমান। ইংল্যান্ড-প্রবাসী এই অ্যাথলেটকে কথা বলতে হলো ক্রীড়া কার্ড নিয়েও। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এরই মধ্যে ফুটবল, হকিসহ বিভিন্ন খেলার তিনশো খেলোয়াড়কে ক্রীড়া কার্ড দিয়েছে। এই কার্ডের আওতায় ক্রীড়াবিদরা প্রতি মাসে এক লাখ টাকা ভাতা পাবেন, পাশাপাশি বিভিন্ন সুবিধাও পাবেন।
ক্রীড়া কার্ড প্রসঙ্গে ইমরানুরের বক্তব্য
দেশের দ্রুততম মানব ইমরানুর এখনও ক্রীড়া কার্ড পাননি। জাতীয় স্টেডিয়ামের ট্র্যাকে রবিবার বিকালে ১০ দশমিক ৫৮ সেকেন্ড সময় নিয়ে ১০০ মিটার স্প্রিন্টে সেরা হন তিনি। এরপর সাংবাদিকদের সামনে কথা বলতে এসে ক্রীড়া কার্ড না পাওয়া নিয়ে প্রশ্নে ৩২ বছর বয়সী এই অ্যাথলেট দেন কৌশলী উত্তর। তিনি বলেন, “এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসলে তাদের। তারাই সিদ্ধান্ত নেবে কী করবে, আমি এই সিদ্ধান্ত তাদের ওপরই ছেড়ে দিচ্ছি। আমি যেটা করতে পারি, সেটা হচ্ছে— পারফরম করে যাওয়া। যদি আমি জিতি, জিততে থাকি, তাহলে আশা করি তারা আমার এটাকে উপেক্ষা করতে পারবে না।”
এশিয়ান গেমসের লক্ষ্য
দেশের ট্র্যাকে সেরা হওয়া ইমরানুর এখন তাকিয়ে আছেন আগামী সেপ্টেম্বরে জাপানে হতে যাওয়া এশিয়ান গেমসের দিকে। তিনি বলেছেন, “আমি ধাপে ধাপে ট্রেনিং ও দৌড় চালিয়ে যাচ্ছি। ফিট থেকে যদি ট্রেনিং করতে পারি, তাহলে পারফরম্যান্স ভালো হবে। এশিয়ান গেমসে ভালো করতে হলে আসলে ধারাবাহিক ট্রেনিং লাগবে। আশা করি, জাপানে আমি ভালো পারফরম্যান্স করতে পারবো।”
চোট ও মানসিক প্রস্তুতি
চোট নিয়ে তার বক্তব্য— “চোট দুই বছর আমাকে ভুগিয়েছে। সেটা ভালো হয়ে গেলেও মানসিকভাবে প্রস্তুত হওয়ার জন্য সময় লাগছে। আলহামদুলিল্লাহ, এই মুহূর্তে ভালো আছি। সেরা টাইমিং করতে পারিনি, কিন্তু এটা নিয়ে ভাবছি না। চ্যাম্পিয়নশিপে টাইমিংয়ের চেয়ে ফিনিশিংটা গুরুত্বপূর্ণ।”
মেয়েদের মধ্যে সেরা শিরিন
মেয়েদের মধ্যে সেরা হয়ে শিরিন জানান, “হ্যাঁ, একদম তাই (বিয়ের পর প্রথম দ্রুততম মানবী হলাম)।” মুখে হাসি ফুটিয়ে তিনি বলেন, “আসলে আমি তো ভুলেই গিয়েছিলাম আমার বিয়ে হয়েছে। তিনি আমাকে অনেক বেশি সাপোর্ট করেন। তিনি জাতীয় বাস্কেটবল দলের খেলোয়াড়, বিমানবাহিনীতে কর্মরত আছেন। আমি আরেকটি পরিবার পেয়েছি, সে পরিবারও অনেক সাপোর্টিভ। ঈদের সময় পাবনাতে ঈদ করেছি এবং সেখানে স্টেডিয়াম, আদার্স জায়গাগুলোতে আমি ট্রেনিং করেছি।”



