ঈদের দুদিন আগে জামালপুর থেকে ঢাকায় এসেছিলেন আবুল হোসেন। বউকেও নিয়ে এসেছিলেন। এই দম্পতির ঢাকায় উদ্দেশ্য, কোরবানির গরুর মাংস সংগ্রহ করা। এসব মাংসের কিছু বিক্রি ও কিছু গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাবে তারা। ঈদের দিন মৌসুমি কসাইয়েরও কাজ করেছেন আবুল। দিন শেষে সংগ্রহ করা মাংস গুছিয়ে এখন গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছেন এই দম্পতি।
আবুল হোসেন বলেন, “প্রতি বছর ঈদের সময় ঢাকায় আসি। কসাইয়ের কাজ করি, আবার গরুর ভাগের মাংসও নিয়ে যাই। কিছু আত্মীয়-স্বজনকে দেবো, আর কিছু বিক্রি করি।”
শুধু আবুল হোসেন নন, এমন অনেক শ্রমজীবী ও মৌসুমি কসাই কোরবানি ঈদকে কেন্দ্র করে ঢাকায় আসেন। কেউ কসাইয়ের কাজ করেন, কেউ আবার দিনভর বিভিন্ন বাসাবাড়ি থেকে মাংস সংগ্রহ করেন। ঈদের দিন শেষে সেই মাংস নিয়েই তারা ফিরেন গ্রামের বাড়িতে। কারও হাতে পলিব্যাগ, কারও কাঁধে বস্তা, আবার কেউ বরফ দিয়ে মাংস সংরক্ষণ করে বাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছেন।
গাবতলী বাস টার্মিনাল ঘুরে দেখা গেছে, অনেকেই ককশিট ও পলিব্যাগে ভরে মাংস নিয়ে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দিচ্ছেন। টার্মিনাল এলাকায় মাংস সংরক্ষণের জন্য বরফও বিক্রি হতে দেখা যায়। অনেকের সঙ্গে রয়েছে গরু কাটার সরঞ্জাম ভর্তি ব্যাগ ও বস্তা। সারাদিন কাজ শেষে বাড়তি কিছু আয় আর সংগ্রহ করা মাংস নিয়েই ঈদের রাতে বাড়ি ফিরছেন এসব শ্রমজীবী মানুষ।



