শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) বন্ধুসভার আয়োজনে শওকত ওসমানের ‘ক্রীতদাসের হাসি’ বই নিয়ে পাঠচক্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। পয়লা মে বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনিভার্সিটি সেন্টার ভবনে এই আসর বসে।
পাঠচক্রের বিবরণ
পাঠাগার ও পাঠচক্র সম্পাদক মাইসা আক্তারের সঞ্চালনায় বইটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন সাধারণ সম্পাদক ইয়ারমিন আক্তার। তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি মুসলিম খলিফা হারুন অর রশিদের অন্দরমহলের। খলিফার হাবসি ক্রীতদাস তাতারি ও আরমেনীয় দাসী মেহেরজান পরস্পরের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে প্রেমে পড়ে। তাদের ভালোবাসাকে স্বীকৃতি দেয় রাজমহিষী। খলিফার অজান্তেই রাজমহিষী দুজনের বিয়ে দিয়ে দেয়। তারা খলিফার স্ত্রীর অনুমতিক্রমে প্রতিরাতেই দাসদের বসবাসের নির্ধারিত স্থানে মিলিত হতো। এ দুই প্রেমিক-প্রেমিকা মিলিত হয়ে প্রাণখোলা হাসি হাসত। খলিফার মনে হাসি ছিল না, তাই সে সব সময় অস্থিরতা অনুভব করত।’
তিনি আরও বলেন, ‘একদিন রাতের বেলায় বাগানে তার জল্লাদ কাম সহচর মাসরুরসহ বেড়াতে গেলে সেখান থেকে ক্রীতদাসের হাসি শুনতে পায়। পরে সে ক্রীতদাসকে মুক্ত করে দেয়; কিন্তু বাগানবাড়ির বাইরে বের হতে দেয় না। তার স্ত্রী মেহেরজানকে খলিফা বিয়ে করে। তাতারিকে হাসি দিতে বলে খলিফা; কিন্তু তার হাসি ফুরিয়ে গেছে…।’
সভাপতির বক্তব্য
সভাপতি সাবিনা আক্তার বলেন, ‘গোলামের প্রেম ধ্রুবতারার মতো স্থির—আকাশের একটি প্রান্তে একাকী মৌন অবিচল।’
পাঠচক্রের আসরে উপস্থিত ছিলেন বন্ধু সাবিনা আক্তার, ইয়ারমিন আক্তার, মোস্তাকিম বিল্লাহ, তৌহিদুল ইসলাম, মাইশা আক্তারসহ অন্য বন্ধুরা।



