নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ডমুরুয়া ইউনিয়নের নলুযায় নোয়াখালী-২ (সেনবাগ-সোনাইমুড়ী) আসনের সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুকের ছবি লাগিয়ে তোরণ নির্মাণ ও আলোকসজ্জা করে অবৈধভাবে বৈশাখী মেলা বসিয়েছেন উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি সুফিয়া আক্তার মনি। খবর পেয়ে তোরণ ভেঙে সেই মেলা বন্ধ করে দিয়েছেন এমপি নিজেই। সোমবার (৪ মে) এমপি জয়নুল আবদিন ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে রোববার রাতে তিনি তোরণ ভেঙে ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে মেলা বন্ধ করে দেন।
স্থানীয় সূত্রে যা জানা গেছে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি সুফিয়া আক্তার মনি ওই মেলার আয়োজন করেন। পরে রোববার রাতে মেলায় নিজের ছবি বসিয়ে অবৈধভাবে মেলা আয়োজনের খবরে ঘটনাস্থলে যান এমপি জয়নুল আবদিন ফারুক। এ সময় তিনি অবৈধভাবে মেলা বসানোর ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উপজেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেন। এমপির দ্রুত এ পদক্ষেপে অবৈধ মেলাটি বন্ধ করে দেওয়ায় স্থানীয় লোকজনের মাঝে স্বস্তি নেমে আসে।
এমপির বক্তব্য
জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, এখন এসএসসি পরীক্ষা চলছে। এ অবস্থায় অবৈধভাবে বৈশাখী মেলায় বিদ্যুৎ অপচয় করে আলোকসজ্জা এবং আমার ছবি ব্যবহার করে রাস্তার উপর তোরণ নির্মাণ করে অবৈধভাবে মেলা বসিয়ে ব্যবসা শুরু করেছে। যা কোনোভাবে মেনে নেওয়া যায় না এবং এলাকার মানুষের জন্যও তা অসহনীয়। এটি সম্পূর্ণ অপরাধ। যখন আমি জানলাম প্রশাসনের বিনা অনুমতিতে অবৈধভাবে মেলা চালাচ্ছে, তখনই আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে তোরণ ভেঙে ও আলোকসজ্জার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে মেলার সব কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছি। এ অবৈধ মেলার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান তিনি।
মহিলা দলের নেত্রীর বক্তব্য
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি সুফিয়া আক্তার মনি বলেন, আমি প্রশাসন থেকে মৌখিকভাবে অনুমতি নিয়েছিলাম। কিন্তু লিখিত অনুমতি না নিয়ে ভুল করেছি। আমি নিজের জায়গায় মেলাটি বসিয়েছিলাম। কিছু লোক আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে।



