নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও নফল তাওয়াফ করা কি জায়েজ? ইসলাম কী বলে
নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও নফল তাওয়াফ: ইসলাম কী বলে

সৌদি সরকারের বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, মাতাফে অর্থাৎ কাবা শরিফের চার পাশের খোলা জায়গায় শুধুমাত্র ইহরাম অবস্থায় থাকা ওমরাহ বা হজ পালনকারীদেরই প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। ইহরামের কাপড় পরিহিত না থাকলে নফল তাওয়াফের জন্য কাউকে মাতাফে যেতে দেওয়া হয় না। হজ ও ওমরাহকারীদের ফরজ তাওয়াফের সুবিধার্থে ভিড় এড়াতে এবং মাতাফের শৃঙ্খলা রক্ষায় সৌদি সরকার এই নিয়ম চালু করেছে।

নিয়ম ভাঙার কৌশল

অনেকে এই নিয়ম ভাঙার জন্য কৌশল অবলম্বন করেন। তারা ওমরাহ করে হালাল হয়ে যাওয়ার পরও নফল তাওয়াফের জন্য ইহরামের পোশাক পরে মসজিদুল হারামে যান। নিরাপত্তারক্ষীরা তাদের ওমরাহকারী মনে করে মাতাফে ঢুকতে দেন। প্রশ্ন হলো, এভাবে ধোঁকা দিয়ে মাতাফে গিয়ে নফল তাওয়াফ করা কি জায়েজ?

ইসলামিক স্কলারদের মতামত

ইসলামিক স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহসহ নির্ভরযোগ্য ওলামায়ে কেরামের মতে, সৌদি সরকারের এই নিয়ম সবার মেনে চলা কর্তব্য। মক্কার স্থানীয় বাসিন্দা হোন বা অন্য দেশ থেকে আসা মুসলিম, সবারই এই নিয়ম মানা উচিত। ইহরামের কাপড় পরে নিরাপত্তারক্ষীদের ধোঁকা দেওয়া কোনোভাবেই একজন মুসলমানের জন্য সমীচীন, শোভনীয় ও বৈধ কাজ নয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

যদিও ইসলামে ওমরাহর নিয়ত ছাড়া শুধু নফল তাওয়াফের জন্য ইহরামের কাপড় পরিধান করা জায়েজ, কিন্তু এটাকে রাষ্ট্রীয় নিয়ম ভাঙা ও ধোঁকা দেওয়ার মাধ্যম বানানো ঠিক নয়। তাই সবার উচিত সৌদি সরকারের নিয়ম মেনে চলা এবং ধোঁকাবাজি পরিহার করা।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ