নবীজি (সা.)-এর ভালোবাসা এমনই। সাহাবায়ে কেরাম তাঁর আমলকে ভালোবাসতেন। নবীজি (সা.) যখন যে আমল করতেন, সাহাবায়ে কেরাম সেই আমলের প্রতি অনুপ্রাণিত হতেন এবং তা ভালোবাসতেন। নবীজি (সা.)-এর ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে সাহাবিরা শারীরিক সুস্থতা লাভে সকাল-সন্ধ্যায় একটি দোয়া পড়তেন। কারণ নবীজি (সা.) স্বয়ং নিজেই সকাল-সন্ধ্যায় এ দোয়াটি পড়তেন।
পাঠকদের জন্য দোয়াটি তুলে ধরা হলো—
আরবি: اللَّهُمَّ عَافِنِي فِي بَدَنِي، اللَّهُمَّ عَافِنِي فِي سَمْعِي، اللَّهُمَّ عَافِنِي فِي بَصَرِي، لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ
উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা আফিনি ফি বাদানি, আল্লাহুম্মা আফিনি ফি সাময়ি, আল্লাহুম্মা আফিনি ফি বাসারি, লা ইলাহা ইল্লা আংতা।’
অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আমার দেহ সুস্থ রাখুন। হে আল্লাহ! আমাকে সুস্থ রাখুন আমার শ্রবণ ইন্দ্রিয়ে। হে আল্লাহ! আমাকে সুস্থ রাখুন আমার দৃষ্টিশক্তিতে। আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই।’
হাদিসের বর্ণনা
আবু দাউদ শরিফে হাদিসটি এভাবে এসেছে—
আব্দুর রাহমান ইবনু আবূ বকর বলেন, আমি আমার পিতাকে বললাম, হে আব্বাজান! আমি আপনাকে প্রতিদিন ভোরে ও সন্ধ্যায় তিনবার বলতে শুনি— ‘আল্লাহুম্মা আফিনি ফি বাদানি, আল্লাহুম্মা আফিনি ফি সাময়ি, আল্লাহুম্মা আফিনি ফি বাসারি, লা ইলাহা ইল্লা আংতা।’
তিনি বললেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে এ বাক্যগুলো দ্বারা দোয়া করতে শুনেছি। সেজন্য আমিও তাঁর নিয়ম অনুসরণ করতে ভালোবাসি। (আবু দাউদ ৫০৯০)
আমলের গুরুত্ব
এই দোয়াটি নিয়মিত সকাল-সন্ধ্যায় পাঠ করলে শারীরিক সুস্থতা লাভ হয় বলে বিশ্বাস করা হয়। নবীজি (সা.)-এর সুন্নত অনুযায়ী আমল করা প্রতিটি মুসলমানের জন্য অত্যন্ত সওয়াবের কাজ।



