‘সংসার সুখের হয় রমনীর গুণে’—এমন একপাক্ষিক ধারণা এখন আর আগের মতো গ্রহণযোগ্য নয়। সময় বদলেছে, বদলেছে দৃষ্টিভঙ্গিও। এখন অনেকেই মনে করেন, একটি সুখী সংসার গড়ে ওঠে স্বামী-স্ত্রী দুজনের পারস্পরিক বোঝাপড়া, দায়িত্ববোধ ও সহযোগিতার ওপর।
এই প্রেক্ষাপটেই প্রতি বছর এপ্রিলের তৃতীয় শনিবার পালিত হয় ‘হাজব্যান্ড অ্যাপ্রিসিয়েশন ডে’ বা স্বামীর প্রশংসা দিবস। আজ সেই দিন।
দিবসটির উৎপত্তি ও তাৎপর্য
এটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের একটি দিবস। তবে বিশ্বায়নের এই যুগে অন্যস দেশের দিবস কারো উদযাপন করতে বাধা নেই। দিনটির মূল ভাবনা—স্বামীর অবদান, দায়িত্ববোধ ও ত্যাগকে স্বীকৃতি দেওয়া। যদিও এই দিবসের নির্দিষ্ট কোনো ঐতিহাসিক সূচনা সময় বা স্থান সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য নেই, তবুও সময়ের সঙ্গে এটি একটি অনানুষ্ঠানিক কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ উপলক্ষ হয়ে উঠেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতামত
বিশেষজ্ঞদের মতে, সম্পর্কে ইতিবাচকতা ধরে রাখতে পারস্পরিক প্রশংসা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ছোট ছোট স্বীকৃতি বা কৃতজ্ঞতার প্রকাশ সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করে। তাই এই দিনটিকে অনেকেই সম্পর্কের উষ্ণতা বাড়ানোর একটি সুযোগ হিসেবে দেখেন।
উদযাপনের সহজ উপায়
দিবসটি উদযাপনের জন্য বড় আয়োজনের প্রয়োজন নেই। সহজ কিছু উপায়েই প্রকাশ করা যায় ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা। যেমন—স্বামীকে উদ্দেশ করে হাতে লেখা ছোট একটি নোট, কোনো স্মৃতিময় বার্তা কিংবা তার পছন্দের খাবার তৈরি করা। চাইলে বাইরে কোথাও খাওয়াতে নিয়েও যেতে পারেন।
মূল কথা হলো, আন্তরিকতা। কারণ অনেক সময় সামান্য একটি প্রশংসাই মানুষের মনে বড় প্রভাব ফেলে।
শুধু স্বামী নয়, স্ত্রীদের জন্যও দিবস
উল্লেখ্য, শুধু স্বামীদের জন্যই নয়, স্ত্রীদের সম্মান জানানোর জন্যও রয়েছে আলাদা দিন—‘ওয়াইফ অ্যাপ্রিসিয়েশন ডে’। প্রতি বছর সেপ্টেম্বরের তৃতীয় শনিবার এই দিবস পালিত হয়।



