স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন হানিফ সংকেতসহ ১৪ ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠান
স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন হানিফ সংকেত, খালেদা জিয়া মরণোত্তর

স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন হানিফ সংকেতসহ ১৪ ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠান

সংস্কৃতিতে অসামান্য অবদানের জন্য স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র উপস্থাপক হানিফ সংকেত (এ কে এম হানিফ)। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেল ৫টার দিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে তিনি এই সম্মানজনক পুরস্কার গ্রহণ করেন।

মরণোত্তর পুরস্কার গ্রহণে জাইমা রহমান

এদিনের অনুষ্ঠানে প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করেন তার নাতনি ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমান। এটি একটি উল্লেখযোগ্য মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

অন্যান্য মনোনীত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান

খালেদা জিয়া ছাড়াও স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত ১৪ ব্যক্তির তালিকায় রয়েছেন:

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • মুক্তিযুদ্ধে মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর)
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক জহুরুল করিম
  • সাহিত্যে আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর)
  • সংস্কৃতিতে হানিফ সংকেত ও বশীর আহমেদ (মরণোত্তর)
  • ক্রীড়ায় জোবেরা রহমান (লিনু)
  • সমাজসেবায় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর), মো. সাইদুল হক ও মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর)
  • জনপ্রশাসনে কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর)
  • গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক এম এ রহিম ও অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া
  • পরিবেশ সংরক্ষণে আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু)

এছাড়া স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত পাঁচ প্রতিষ্ঠান হলো:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  1. মুক্তিযুদ্ধে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ
  2. চিকিৎসাবিদ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
  3. পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)
  4. সমাজসেবায় এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ
  5. গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র

স্বাধীনতা পুরস্কারের গুরুত্ব

স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশের সর্বোচ্চ জাতীয় ও রাষ্ট্রীয় পুরস্কার হিসেবে স্বীকৃত। এটি স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধসহ দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রদান করা হয়। এই পুরস্কার প্রাপ্তির মাধ্যমে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজের মূল্যায়ন ঘটে এবং জাতীয় পর্যায়ে তাদের ভূমিকা সম্মানিত হয়।

এই বছর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, পুরস্কারপ্রাপ্তদের পরিবার ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ। অনুষ্ঠানটি দেশের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক অঙ্গনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।