সেলিনা হোসেনের নতুন উপন্যাস ‘নবান্ন’র মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান সম্প্রতি রাজধানীর বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানের সূচনা
অনুষ্ঠানের সূচনা হয় জাতীয় সংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে। পরে বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক।
বক্তব্য ও আলোচনা
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, ‘সেলিনা হোসেন আমাদের সময়ের একজন শক্তিশালী কথাশিল্পী। তার লেখায় গ্রামীণ জীবন ও সংস্কৃতির ছাপ স্পষ্ট। ‘নবান্ন’ উপন্যাসেও তিনি সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন।’
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা। তিনি বলেন, ‘সেলিনা হোসেনের সাহিত্যকর্ম বাংলা সাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।’
উপন্যাসের বৈশিষ্ট্য
‘নবান্ন’ উপন্যাসটি গ্রামীণ বাংলাদেশের কৃষি ও জীবনযাত্রার ওপর ভিত্তি করে রচিত। এতে ফুটে উঠেছে নবান্ন উৎসবের আনন্দ ও গ্রামীণ মানুষের জীবনসংগ্রাম। লেখক তার স্বভাবসুলভ ভাষায় গ্রামীণ পরিবেশ ও চরিত্রগুলোর মানসিক দ্বন্দ্ব চিত্রিত করেছেন।
অন্যান্য বক্তা
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও সাংবাদিক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, কবি ও প্রাবন্ধিক ড. হাসান আজিজুল হক প্রমুখ। তারা সেলিনা হোসেনের সাহিত্যকর্মের নানা দিক তুলে ধরেন।
উপসংহার
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদ বলেন, ‘সেলিনা হোসেনের মতো লেখকদের কারণেই বাংলা সাহিত্য সমৃদ্ধ হয়েছে। ‘নবান্ন’ তার আরেকটি সফল সৃষ্টি।’
অনুষ্ঠান শেষে লেখক তার উপন্যাসের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন এবং উপস্থিত পাঠকদের প্রশ্নের উত্তর দেন।



