বেগম খালেদা জিয়ার মরণোত্তর পুরস্কার নিলেন নাতনি জাইমা রহমান, নারী দিবসে সম্মাননা পেলেন আরও পাঁচ নারী
খালেদা জিয়ার মরণোত্তর পুরস্কার নিলেন নাতনি জাইমা রহমান

নারী দিবসে বেগম খালেদা জিয়ার মরণোত্তর পুরস্কার গ্রহণ করলেন নাতনি জাইমা রহমান

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির প্রায়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে। ‘অদম্য নারী’ ক্যাটাগরিতে নারী শিক্ষা ও গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় তার অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। রোববার (৮ মার্চ) সকালে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের হাত থেকে পুরস্কারটি গ্রহণ করেন বেগম খালেদা জিয়ার নাতনি ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

পুরস্কারপ্রাপ্ত অন্যান্য নারীদের তালিকা

একই অনুষ্ঠানে আরও পাঁচ ক্যাটাগরিতে পাঁচ জন নারীকে তাদের অনন্য অবদানের জন্য সম্মাননা দেওয়া হয়। পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন:

  • অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী ক্যাটাগরিতে নুরুন নাহার আক্তার।
  • শিক্ষা ও চাকুরিক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী ক্যাটাগরিতে মোছা. ববিতা খাতুন।
  • সফল জননী নারী ক্যাটাগরিতে নুরবানু কবীর।
  • নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন মুছে ফেলে জীবন সংগ্রামে জয়ী নারী ক্যাটাগরিতে মোছা. শমলা বেগম।
  • সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখা নারী ক্যাটাগরিতে মোছা. আফরোজা ইয়াসমিন।

প্রতিটি নারীকে তাদের নিজ নিজ ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান ও অদম্য মনোবলের জন্য এই সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে, যা নারীর ক্ষমতায়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে।

পুরস্কারের তাৎপর্য ও প্রভাব

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এই পুরস্কার প্রথা দেশের নারীদের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে সহায়ক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষ করে, এমন ধরনের স্বীকৃতি নারীর সংগ্রাম, নেতৃত্ব ও অবদানের গল্পকে দেশের জনসাধারণের সামনে তুলে ধরার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে নারীদের অর্জনকে স্বাগত জানান এবং ভবিষ্যতেও এমন উদ্যোগ অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানটি নারী দিবসের মূল উদ্দেশ্যকে আরও শক্তিশালী করে, যা নারী অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠার দিকে একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত। দেশজুড়ে নারীদের অনুপ্রাণিত করতে এবং তাদের সাফল্যকে জাতীয় পর্যায়ে স্বীকৃতি দিতে এই ধরনের আয়োজন অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা রাখছে।