অস্ট্রেলিয়ার তরুণীর শপকিনস সংগ্রহে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড
অস্ট্রেলিয়ার তরুণীর শপকিনস সংগ্রহে গিনেস রেকর্ড

অস্ট্রেলিয়ার তরুণীর শপকিনস সংগ্রহে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড

অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডের বাসিন্দা আলেক্সা সেরস্টুকের শপকিনস খেলনার বিশাল সংগ্রহ এখন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের অংশ হয়ে উঠেছে। সাত বছর বয়সে স্কুলে এক সহপাঠীর হাতে প্রথম শপকিনসের খেলনা দেখার পর থেকে শুরু হওয়া তাঁর এই সংগ্রহে বর্তমানে ২ হাজার ৬৫৬ ধরনের শপকিনস খেলনা রয়েছে, যা আগের রেকর্ডধারী ব্রিটিশ নারী রিহানা কনার্সের সংগ্রহকে ছাড়িয়ে গেছে।

শৈশবের ভালোবাসা থেকে বিশ্ব রেকর্ড

২০১৪ সালে অস্ট্রেলিয়ার কোম্পানি মুস টয়স প্রথম শপকিনস খেলনা বাজারে আনে, যা শিশুদের মধ্যে দ্রুত জনপ্রিয়তা পায়। আলেক্সা সেরস্টুকও সেই সময়ে শপকিনসের প্রতি আকৃষ্ট হন এবং নিয়মিতভাবে খেলনা কেনা শুরু করেন। তাঁর সংগ্রহে শপকিনসের নানা আকৃতির খেলনা রয়েছে, যেগুলো খাবার, পোশাক এবং অন্যান্য জিনিসের মিনিয়েচার হিসেবে তৈরি।

সেরস্টুক বলেন, 'স্কুলের এক সহপাঠীর হাতে শপকিনসের খেলনা দেখে আমার খুবই পছন্দ হয়। আমি তখন থেকেই নিজের জন্য শপকিনস কেনা শুরু করি। এখন আমার সংগ্রহে ২ হাজার ৬৫৬ ধরনের খেলনা রয়েছে। তবে যেগুলো দুটি করে আছে, সেগুলো গণনা করলে খেলনার মোট সংখ্যা চার হাজারের বেশি হবে।'

পূর্বের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে যাওয়া

২০১৯ সালে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়া রিহানা কনার্সের সংগ্রহে ২ হাজার ২৭১টি শপকিনস খেলনা ছিল। আলেক্সা সেরস্টুকের সংগ্রহে এর চেয়ে বেশি ধরনের খেলনা থাকায় তিনি এই রেকর্ডটি নিজের নামে লিখিয়েছেন। শপকিনস খেলনা ২০২৩ সালে উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেলেও সেরস্টুকের সংগ্রহ এই খেলনার ঐতিহ্যকে জীবন্ত রাখছে।

সেরস্টুক গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসকে বলেন, 'আমি শপকিনসকে খুবই ভালোবাসি। কারণ, প্রথম প্রকাশের সময় বাজারে বিশেষ করে মেয়েদের জন্য এমন কোনো খেলনা ছিল না। আমি ২০১৪ সালে সাত বছর বয়সে এটি সংগ্রহ শুরু করি। এটা একেবারে আসক্তির পর্যায়ে চলে গিয়েছিল। নতুন একটি প্যাক পাওয়া, অজানা আইটেম খুঁজে পাওয়া এবং বিশেষ বা সীমিত সংস্করণের আইটেম পাওয়া—সবটাই আমার কাছে দারুণ উত্তেজনাপূর্ণ।'

এই রেকর্ডটি শপকিনস খেলনার প্রতি মানুষের গভীর অনুরাগ এবং সংগ্রহশালার গুরুত্বকে তুলে ধরে, যা বিশ্বজুড়ে অনুরাগীদের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করছে।