গতকাল শনিবার (১১ জুলাই, ২০২৬) নানিয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটির (এনটিইউ) অডিটোরিয়ামে বাংলা সাহিত্যের দুই কালজয়ী কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের জয়ন্তী উপলক্ষে সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ সোসাইটি এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
প্রবাসে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির চেতনা
অনুষ্ঠানে সিঙ্গাপুরস্থ বাংলাদেশি প্রবাসী, শিক্ষার্থী, স্থানীয় বাঙালি ও অবাংলাভাষী সংস্কৃতিপ্রেমীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির চেতনাকে প্রবাসে জাগ্রত রাখার প্রয়াসে এই অনুষ্ঠান ছিল এক উজ্জ্বল উদাহরণ। দূর পরবাসে জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন পাঠকেরা। ই-মেইল: [email protected]
সভাপতির বক্তব্য ও অনুষ্ঠানের গুরুত্ব
সোসাইটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আলতাফ হোসেন শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন, ‘রবীন্দ্রনাথ ও নজরুল শুধু দুই কবিই নন, তাঁরা আমাদের জাতীয় আত্মার প্রতীক। তাঁদের সাহিত্য, সংগীত ও চেতনা আমাদের ঐতিহ্য ও মানবতার পথপ্রদর্শক।’ এই বক্তব্য অনুষ্ঠানের মূল চেতনাকে প্রতিফলিত করে।
বিবিধ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা
অনুষ্ঠানে ছিল সিঙ্গাপুরের প্রথিতযশা শিল্পীদের কণ্ঠে রবীন্দ্রসংগীত ও নজরুলসংগীত, আবৃত্তি সংগঠন ‘কহন’-এর পরিবেশনায় কবিতার আবৃত্তি, রবীন্দ্র ও নজরুল রচনার ওপর ভিত্তি করে নৃত্য পরিবেশনা এবং এসবিএস–সিএফএর (SBS-CFA–Center for Arts) শিশু ও কিশোর অংশগ্রহণকারীদের মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা।
নতুন প্রজন্মের উপর প্রভাব
এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের মধ্যে বাংলা সংস্কৃতি ও সাহিত্যের প্রতি গভীর আগ্রহ তৈরি হয়। অনুষ্ঠানটির পরিকল্পনায় ছিলেন সাংস্কৃতিক সম্পাদক তৌহিদা রহমান টিনা। মাযারুল আবেদীন ও তৌহিদা রহমান টিনার সাবলীল সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
প্রবাসী সম্প্রদায়ের মিলনমেলা
সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ সোসাইটির এই আয়োজন শুধু একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানই ছিল না, বরং এটি প্রবাসী বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের জন্য একটি মিলনমেলা হিসেবে কাজ করেছে। দূর পরবাস থেকে আরও পড়ুন: সিঙ্গাপুর, দূর পরবাস, প্রবাসী, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, সিঙ্গাপুর সংস্কৃতি, দূর পরবাস অনুষ্ঠান, কাজী নজরুল ইসলাম।



