মেসির স্কেচ জীবন্ত করতে চান চঞ্চল
জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী বলেছেন, বিশ্বকাপ চলাকালীন মেসির দুইটা স্কেচ এঁকেছেন। তিনি চান, যদি কোনো স্কেচ জীবন্ত হয়, তাহলে সেটা যেন মেসির হয়। কারণ, মেসি তাঁর প্রিয় খেলোয়াড় এবং সারা পৃথিবীর মানুষ তাঁকে পছন্দ করে। তিনি মেসিকে সামনাসামনি দেখতে চান।
‘বোঝো নাই ব্যাপারটা’ সংলাপ নিয়ে ট্রল ভালো লাগে
চঞ্চল চৌধুরী জানান, ‘বোঝো নাই ব্যাপারটা’ সংলাপটি তিনি বাস্তব পরিস্থিতিতেও উচ্চারণ করেন। হাজার হাজার মানুষ এই সংলাপ নিয়ে ট্রল করলেও তিনি বিরক্ত বা বিব্রত হন না। বরং ভালোই লাগে, কারণ সবাই এই ছোট্ট সংলাপটি জানে এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে ব্যবহার করে।
ভক্তের বিয়ের প্রস্তাবে হতভম্ব
চঞ্চল চৌধুরী বলেন, বেশ কয়েক বছর আগে এক ভক্ত তাঁকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তিনি বিবাহিত জানার পরও ভক্ত বলেছিলেন, ‘আপনার স্ত্রীকে ডিভোর্স দেন, আমাকে বিয়ে করেন।’ এই কথা শুনে তিনি হতভম্ব হয়ে যান এবং পরে সেখান থেকে কীভাবে চলে আসবেন, তারই সুযোগ খুঁজছিলেন।
মোবাইল ছাড়া থাকলে মানুষকে মিস করবেন বেশি
যদি তাঁকে এক মাস মোবাইল ছাড়া থাকতে বলা হয়, তাহলে তিনি মানুষকে মিস করবেন বেশি, ফেসবুককে নয়। তবে তিনি মনে করেন, ফেসবুকের মাধ্যমেই দর্শক ও পরিচিতজনের সঙ্গে যোগাযোগ থাকে, তাই মানুষকে মিস করবেন বেশি।
নিজের নাম নিয়েই পরিচয় দিতে চান
যদি সবাই তাঁকে চেনে কিন্তু নাম না জানে, তাহলে তিনি নিজের নাম ‘চঞ্চল চৌধুরী’ বলেই পরিচয় দেবেন। কারণ, জন্মের পর বাবা-মা এই নামই দিয়েছেন এবং তিনি অন্য কারও নাম ধার করতে চান না।
সহকর্মীরা বলেন, অভিনয়ের চেয়ে গান বেশি ভালো হয়
চঞ্চল চৌধুরী জানান, অনেক সহকর্মী বলেন তাঁর অভিনয়ের চেয়ে গান বেশি ভালো হয়। তিনি বন্ধুভাবাপন্ন এবং সবার সঙ্গে মিশতে পছন্দ করেন। তাঁর গুরু মামুনুর রশীদ থেকে তাঁর ছেলে শুদ্ধ, সবারই তিনি বন্ধু।
রস+আলোর সম্পাদক হওয়ার প্রশ্নই আসে না
যদি রস+আলো তাঁকে এক দিনের জন্য সম্পাদক বানায়, তাহলে তিনি কী করবেন—এই প্রশ্নের উত্তরে চঞ্চল বলেন, ‘মাথা খারাপ!’ তিনি মনে করেন, অভিনয় দিয়েই মানুষের বিনোদন দিতে হিমশিম খান। যদি অভিনয়ে সেই মজা ও ভালোলাগা না দিতে পারেন, সেই চিন্তাতেই তাঁর বয়স বেড়ে যাচ্ছে। অতিরিক্ত দায়িত্ব নেওয়ার প্রশ্নই আসে না।
ফুটবল দেখার সময় চিৎকার ও সেলফি
চঞ্চল চৌধুরী বলেন, ফুটবল ম্যাচ দেখার সময় তিনি শুধু গোল হলে বা মারাত্মক মিস করলে চিৎকার করেন। তবে যাদের সঙ্গে খেলা দেখেন, তারা বেশি চিৎকার করেন এবং মাঝেমধ্যে প্রতিটি চিৎকারে সেলফি ও ছবি তুলতে থাকেন।
সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মনজুর কাদের। এই সাক্ষাৎকারটি কাল্পনিক নয়।



