বিনোদনের আলো ঝলমলে দুনিয়া থেকে এবার রাজনীতির মঞ্চে প্রথম পদক্ষেপ করলেন অভিনেতা ও পরিচালক পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়। দীর্ঘদিন গুঞ্জন ছিল আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হচ্ছেন কি না। যদিও প্রার্থী হিসেবে সরাসরি রাজনীতিতে সক্রিয় হননি তিনি, তবে রাজনৈতিক সমীকরণে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে শাসকদল তৃণমূলের সমর্থনে প্রচারের ময়দানে নামলেন তিনি।
প্রথম রাজনৈতিক উপস্থিতি
শনিবার (২৫ এপ্রিল) নদীয়ার কৃষ্ণনগর দক্ষিনে তৃণমূল কংগ্রেস মনোনীত প্রার্থী উজ্জ্বল বিশ্বাসের সমর্থনে আয়োজিত জনসভায় অংশ নেন পরমব্রত। চক দিগনগর হাইস্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত এ সভায় উপস্থিত ছিলেন সাংসদ-অভিনেত্রী জুন মালিয়াসহ আরও অনেকে। প্রথম রাজনৈতিক উপস্থিতিতেই দৃঢ় ও স্পষ্ট বক্তব্য দেন পরমব্রত। তিনি বলেন, ‘কৃষ্ণনগর দক্ষিণ থেকেই আমার রাজনৈতিক মঞ্চে যাত্রা শুরু হলো। ২০২৬ সালের নির্বাচন শুধু ভোট নয়, এটি বাঙালির আত্মসম্মান ও মর্যাদা রক্ষার লড়াই।’
নারী নিরাপত্তা ইস্যুতে অবস্থান
নারী নিরাপত্তা ইস্যুতে বিরোধীদের সমালোচনা করে তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গ এখনো নারীদের জন্য দেশের অন্যতম নিরাপদ অঞ্চল। তিনি বলেন, সমাজের নানা প্রান্তে যখন নারী নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, তখন পশ্চিমবঙ্গের অবস্থানকে খাটো করে দেখানোর যে চেষ্টা, তা প্রতিহত করা জরুরি। তার মতে, এই ভোট সেই মর্যাদা রক্ষারই লড়াই।
ভোটার তালিকা বিতর্ক
একই সঙ্গে ভোটার তালিকা ঘিরে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা নিয়েও সরব হন পরমব্রত। তার অভিযোগ, বহু বৈধ ভোটারকে অকারণে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে এবং অনেকের নাম বাদ যাওয়ার ঘটনাও সামনে আসছে। এই পরিস্থিতিতে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই প্রতিবাদ জানানো উচিত বলেও মত তার।
তৃণমূলের প্রতি আহ্বান
সবশেষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আগামী ২৯ তারিখ ‘জোড়াফুল’ প্রতীকে তৃণমূল প্রার্থী উজ্জ্বল বিশ্বাসকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান পরমব্রত।



