বাবার রাজনীতি নিয়ে মুখ খুললেন সোনাক্ষী সিনহা
বাবার রাজনীতি নিয়ে মুখ খুললেন সোনাক্ষী সিনহা

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয়ের পর রাজ্যের ক্ষমতা হাতে নিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি। এই পরাজয়ের পর দল ছেড়ে যাওয়ার ঘটনা বেড়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠেছে, তৃণমূলের সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহাও কি দল ছাড়বেন? যদিও শত্রুঘ্ন নিজে এখনো এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি, তবে তার মেয়ে অভিনেত্রী সোনাক্ষী সিনহা বাবার পক্ষে মুখ খুলেছেন।

সোনাক্ষীর বক্তব্য

সোনাক্ষী তার বাবার অবস্থান পরিষ্কার করে বলেন, ‘বাবা এখন রাজনীতি নিয়ে এতটাই ব্যস্ত যে তিনি খুব সুন্দরভাবে সেই জগতে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছেন। তিনি যেখানে আছেন এবং যা করছেন, তাতেই খুশি।’ বাবা-মেয়ের সম্পর্কের সমীকরণ নিয়েও অকপট সোনাক্ষী। তিনি জানান, ‘বাবারা সাধারণত সন্তানদের প্রতি একটু কঠোর হন। কিন্তু আমার বাবা সব সময়ই আমার প্রতি খুব নরম ছিলেন। আমাকে সব সময় বলতেন, নিজের যোগ্যতায় নিজেকে প্রমাণ করতে হবে। বাবা স্রোতের বিপরীতে হাঁটলেও আমার মতে, এ রকম মানসিকতাই একটি মেয়েকে মনের দিক থেকে শক্তিশালী হতে সাহায্য করে।’

সিনেমা প্রযোজনা নিয়ে গুঞ্জন

এর আগে গুঞ্জন ছিল, শত্রুঘ্ন সিনহা মেয়ে সোনাক্ষীকে নিয়ে একটি সিনেমা প্রযোজনা করবেন। তবে সেই গুঞ্জনও উড়িয়ে দিয়েছেন সোনাক্ষী। তিনি বলেন, ‘বাবা দু-একটি ছবির প্রযোজনা করেছেন। কিন্তু তিনি আমাকে কখনো বলেননি যে আমার জন্য কোনো ছবি প্রযোজনা করতে চান; বরং এই মুহূর্তে সিনেমায় ফেরার কোনো পরিকল্পনাই নেই।’

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পরিচয়ের পরিবর্তন

২০১০ সালে ‘দাবাং’ সিনেমায় অভিনয়ের পর আলোচনায় আসেন সোনাক্ষী। তবে সফল অভিনেত্রী হওয়ার পরেও তাকে ‘শত্রুঘ্ন সিনহার মেয়ে’ বলেই পরিচয় করানো হতো। কিন্তু সময়ের সঙ্গে পরিস্থিতি বদলেছে। এখন শত্রুঘ্ন সিনহাকে ‘সোনাক্ষী সিনহার বাবা’ বলেও সম্বোধন করা হয়। এ প্রসঙ্গে সোনাক্ষী বলেন, ‘বাবা যখন বিমানে ভ্রমণ করেন, তখন বিমানবালারা এসে বলেন, “আপনি কি সোনাক্ষী সিনহার বাবা?” এতে বাবা খুব গর্ববোধ করেন।’

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নিউজ ১৮ অবলম্বনে