সম্প্রতি রস+আলোর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ হলো, রস+আলোর প্রচ্ছদে মেসিকে নিয়ে কার্টুন প্রকাশ করার মাধ্যমে নাকি ফিফার ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে। সেই চাপের ফলেই নাকি বিশ্বকাপের ফিকশ্চার এমনভাবে সাজানো হয়েছে, যাতে আর্জেন্টিনার পথ সহজ হয়।
হলুদ সমুদ্রের প্রতিক্রিয়া
হলুদ সমুদ্র এ ঘটনায় ঝঞ্ঝাক্ষুব্ধ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রস+আলোর বিরুদ্ধে চলছে বিচার, আপিল, পুনর্বিচার ও রিভিউ।
রস+আলোর বক্তব্য
রস+আলোর পক্ষ থেকে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলা হয়েছে, তাদের ক্ষমতা সম্পর্কে অকারণ অতিরিক্ত উচ্চ ধারণা পোষণ করা হচ্ছে। ফিফার ফিকশ্চার, ড্র, রেফারিং কিংবা বিশ্বকাপের ফলাফলের সঙ্গে রস+আলোর কোনো সম্পর্ক নেই। কোনো প্রভাবও নেই।
হ্যাঁ, এটুকু সত্য যে রস+আলো দেখে মেসি লুঙ্গির প্রতি আগ্রহী হয়েছেন এবং একটি লুঙ্গির অর্ডার দিয়েছেন—এমন গুঞ্জন শোনা গেছে। কিন্তু কোনো রেফারি রস+আলো পড়ে সিদ্ধান্ত বদলেছেন, এমন তথ্য এখনো হাতে আসেনি। এলেও আগে যাচাই করা হবে।
রস+আলোর প্রকৃতি
রস+আলোর শক্তি সম্পর্কে অযথা উচ্চ ধারণা পোষণ না করার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, রস+আলো নিতান্তই একটি ফান ম্যাগাজিন। নিরীহ, নির্দোষ, নখদন্তহীন। তবে হ্যাঁ, একটু খোঁচাখুঁচির বদভ্যাস আছে। সে কারণে বড়জোর একটি স্যাটায়ার ম্যাগাজিন বলা যেতে পারে।
তারা কার্টুন আঁকে, খোঁচা দেয়, নিজেদের নিয়েও হাসে। কিন্তু বিশ্বকাপের ফিকশ্চার বানায় না। রেফারিদের কানে ফিসফিস করে না। ফিফার কম্পিউটারে লগইন করার পাসওয়ার্ডও তাদের জানা নেই।
দায়িত্ব কার?
ফুটবলের মাঠে যা ঘটছে, তার দায় মাঠের খেলোয়াড়, কোচ, রেফারি কিংবা ভাগ্যের হতে পারে। রস+আলোর নয়। তবে একটি কথা সত্যি। কেউ যদি তাদের একটি কার্টুন দেখে এতটাই বিচলিত হন যে সেটিকে ফিফার গোপন কৌশলের অংশ বলে বিশ্বাস করেন, তাহলে সেটি তাদের ক্ষমতার নয়—ব্যঙ্গের ক্ষমতার প্রমাণ।



