ডাটা সেভার মোড চালু রাখুন
অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস উভয় ধরনের ফোনেই বিল্ট-ইন ‘ডাটা সেভার’ বা ‘লো ডাটা মোড’ থাকে। এটি চালু করলে ফোন নিজে থেকেই ব্যাকগ্রাউন্ড ডাটা ব্যবহার সীমিত করে দেয়, ফলে ইন্টারনেটের অপচয় অনেকটাই কমে যায়।
সোশ্যাল মিডিয়ার অটো-প্লে বন্ধ করুন
ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব বা টিকটক স্ক্রল করার সময় ভিডিওগুলো নিজে থেকেই চালু হয়ে যায়। এতে আপনি ভিডিও না দেখতে চাইলেও প্রচুর ডাটা খরচ হয়। অ্যাপগুলোর সেটিংসে গিয়ে ‘নেভার অটো-প্লে ভিডিওস’ অপশনটি চালু করে রাখলে ডাটা অনেক সাশ্রয় হবে।
ব্যাকগ্রাউন্ড ডাটা রেস্ট্রিক্ট করুন
আপনার ফোনে থাকা অনেক অ্যাপ আপনি ব্যবহার না করলেও ব্যাকগ্রাউন্ডে সচল থাকে এবং ডাটা খরচ করতে থাকে। ফোনের সেটিংস থেকে ‘অ্যাপস’ বা ‘ডাটা ইউসেজ’-এ গিয়ে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলোর ‘ব্যাকগ্রাউন্ড ডাটা’ অপশনটি বন্ধ (ডিজেবল) করে দিন।
অ্যাপ ও সিস্টেম অটো-আপডেট বন্ধ রাখুন
গুগল প্লে-স্টোর বা অ্যাপল অ্যাপ স্টোরে অ্যাপগুলোর অটো-আপডেট অপশন চালু থাকলে, নতুন আপডেট আসতেই ডাটা দিয়ে ডাউনলোড শুরু হয়ে যায়। সেটিংস থেকে এটি পরিবর্তন করে ‘ওভার ওয়াই-ফাই অনলি’ বা ‘ডোন্ট অটো-আপডেট অ্যাপস’ সিলেক্ট করে রাখুন। এতে মোবাইল ডাটা থাকা অবস্থায় অ্যাপ নিজে থেকে আপডেট হবে না।
ডাটা লিমিট সেট করে রাখুন
ফোনের সেটিংসে গিয়ে একটি নির্দিষ্ট ডাটা লিমিট সেট করে দিতে পারেন। এতে দৈনিক বা মাসিক একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ ডাটা খরচ হওয়ার পর ফোন আপনাকে সতর্ক করবে অথবা মোবাইল ডাটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। ফলে আপনার অজান্তে অতিরিক্ত ডাটা কাটার সুযোগ থাকবে না।
ব্রাউজারে ডাটা সেভিং অপশন ব্যবহার
গুগল ক্রোম বা অপেরা ব্রাউজার ব্যবহার করার সময় এর ভেতরে থাকা ডাটা সেভার অপশনটি চালু করে নিতে পারেন। এটি ওয়েবপেজগুলোকে কমপ্রেস বা ছোট করে প্রদর্শন করে, যার ফলে ব্রাউজিং করার সময় ডাটা অনেক কম খরচ হয়।
অফলাইন ফিচার ব্যবহার করুন
গুগল ম্যাপস বা ইউটিউবে কোনও নির্দিষ্ট ভিডিও বা রুট বারবার দেখার প্রয়োজন হলে, ওয়াই-ফাই জোনে থাকা অবস্থায় তা অফলাইনে সেভ বা ডাউনলোড করে রাখুন। পরবর্তী সময়ে মোবাইল ডাটা অন না করেই সেগুলো ব্যবহার করতে পারবেন।
বিশেষ পরামর্শ: মোবাইল অপারেটরদের বিভিন্ন মেয়াদি ডাটা প্যাক কেনার সময় খেয়াল রাখুন। অনেক সময় ছোট ছোট প্যাকের চেয়ে বড় মেয়াদের বা আনলিমিটেড (শর্তসাপেক্ষ) প্যাকগুলো বেশি সাশ্রয়ী হয়। একটু সচেতন হলেই ইন্টারনেটের পেছনে অতিরিক্ত খরচ অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।



