রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মিরপুরে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয়রা। বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিকালে রাজধানীর মিরপুর ১০ থেকে ১২ নম্বর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষুব্ধরা। এতে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
বিক্ষোভে স্লোগান ও দাবি
বিক্ষুব্ধরা ‘জাস্টিস জাস্টিস, উই ওয়ান্ট জাস্টিস’, ‘বিচার চাই, বিচার চাই’, ‘আমার বোন খুন হলো কেন’, ‘অপরাধীর আস্তানা, ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও’, ‘ফাঁসি ফাঁসি ফাঁসি চাই, আসামির ফাঁসি চাই’— এমন নানা স্লোগান দেন।
বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া সামিউল হক নামের একজন বলেন, “৭ দিন নয়, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ফাঁসি দিতে হবে, এটাই আমাদের দাবি। বাংলাদেশে অনেক বিচার হয় না। এজন্য আমরা দিনের পর দিন, মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে চাই না।”
নাজমুল হক নামের একজন বলেন, “শিশুদের কোনও নিরাপত্তা নেই। অপরাধীরা পার পেয়ে যায় বলেই এই ধরনের ঘটনা ঘটতেই থাকে। দ্রুত বিচার হতে হবে।”
পূর্বের বিক্ষোভ ও ঘটনা
এর আগে সকালে পল্লবী থানার ভেতরে ঢুকে বিক্ষোভ করে অপরাধীর দ্রুত বিচার নিশ্চিতের দাবি জানায় এলাকাবাসী। এলাকাবাসী হত্যার দ্রুত বিচারের দাবি সম্বলিত বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড নিয়ে থানায় যান। এসময় থানা পুলিশ এলাকাবাসীকে শান্ত থাকার কথা বলেন।
মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে মিরপুর–১১ এলাকার বি ব্লকের একটি ভবনের তৃতীয় তলার ফ্ল্যাট থেকে শিশু রামিসা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, শিশুটি হত্যার পর মরদেহ গুমের চেষ্টা করা হয়েছিল। যদিও ফ্ল্যাটের ভেতর থেকেই দেহের অংশ উদ্ধার করা হয়। হত্যার ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারা হলেন— পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানা (৩০) ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার (২৬)।



