ফেরদৌসী মজুমদারের জীবন ও অভিনয়ের নানা দিক নিয়ে বিশেষ সাক্ষাৎকার
ফেরদৌসী মজুমদারের জীবন ও অভিনয়ের নানা দিক

আনিসুল হকের সঞ্চালনায় 'ক্রাউন সিমেন্ট অভিজ্ঞতার আলো' অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খ্যাতিমান অভিনয়শিল্পী ফেরদৌসী মজুমদার। তিনি তার শৈশব, পরিবার, শিক্ষাজীবন ও অভিনয়ের নানা দিক নিয়ে আন্তরিকভাবে কথা বলেন।

শৈশব ও পরিবার

ফেরদৌসী মজুমদারের জন্ম ১৯৪৩ সালের জুনে বরিশালে। পৈতৃক বাড়ি নোয়াখালী হলেও তিনি ঢাকায় বেড়ে ওঠেন। তার বাবা আবদুল হালিম চৌধুরী একজন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন। মায়ের নাম আফিয়া। তাদের বাড়ির নাম ছিল দারুল আফিয়া। ফেরদৌসী মজুমদার ১৪ ভাই-বোনের মধ্যে ১১তম। তার বড় ভাই কবীর চৌধুরী ও মুনীর চৌধুরী।

শিক্ষাজীবন

তিনি টিকাটুলীর নারীশিক্ষা মন্দিরে প্রাথমিক শিক্ষা শুরু করেন। পড়ালেখায় তিনি মাঝারি ধরনের ছিলেন। তবে বাবার তাগিদে তিনি আরবিতে এমএ পাস করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অভিনয় জীবন

ফেরদৌসী মজুমদারের প্রথম মঞ্চনাটক ছিল 'ডাক্তার আব্দুল্লাহর কারখানা'। তিনি মুনীর চৌধুরীর নির্দেশনায় 'রক্তাক্ত প্রান্তর' নাটকে জোহরা চরিত্রে অভিনয় করেন। ১৯৬৫ সালে টেলিভিশনের উদ্বোধনী নাটক 'একতলা দোতলা'য় তিনি অভিনয় করেন। থিয়েটার নাট্যদল প্রতিষ্ঠায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। 'কোকিলা' নাটকে তার একক অভিনয় বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়।

ব্যক্তিগত জীবন

১৯৭০ সালের মার্চে রামেন্দু মজুমদারের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তাদের একমাত্র মেয়ে ত্রপা মজুমদার। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তারা ভারতে যান এবং সেখানে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে কাজ করেন।

শিক্ষকতা ও অন্যান্য

ফেরদৌসী মজুমদার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেন, যেমন অগ্রণী স্কুল, উইলস লিটল ফ্লাওয়ার, সানবিমস ও সেন্ট্রাল উইমেনস ইউনিভার্সিটি।

জীবনের দর্শন

অনুষ্ঠানের শেষে তিনি দর্শকদের উদ্দেশে বলেন, জীবনে ধৈর্যহারা না হয়ে সৎ থাকা, সুন্দরে বিশ্বাস করা ও বয়োজ্যেষ্ঠদের সম্মান করা উচিত। তিনি শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং আশাবাদী থাকার পরামর্শ দেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ