রেদওয়ান রনির ‘আইসক্রিম’ দিয়ে বড় পর্দায় প্রবেশ করলেও নাজিফা তুষির প্রকৃত উত্থান ঘটে ‘হাওয়া’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে। এরপর থেকে তিনি যেন হাওয়ায় ভাসছেন। সিনেমা মুক্তির আগে গণমাধ্যমে তার উপস্থিতি কিছুটা বিরল হয়ে গিয়েছিল। জানা গেছে, নতুন সিনেমার শুটিং করেছেন ‘রইদ’ মুক্তির আগমুহূর্ত পর্যন্ত। অবশেষে এই দামি নায়িকার দেখা মিলল স্টার সিনেপ্লেক্সে সিনেমা মুক্তির প্রথম দিন। গণমাধ্যমের সামনে উপস্থিত হয়ে তিনি জানালেন ‘রইদ’ নিয়ে তার জার্নির কথা।
মেজবাউর রহমান সুমনের সাথে কাজের অভিজ্ঞতা
গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নিজের কাজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে গিয়ে নাজিফা তুষি জানান, মেজবাউর রহমান সুমনের সাথে কাজ করা যেকোনো অভিনেতার জন্যই আশীর্বাদস্বরূপ। এই নির্মাতার কাজের ধরনের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “উনার সাথে কাজের প্রসেসটাই ডিফারেন্ট হয়। পুরা একদম রিয়েল ওয়ার্ল্ড, মানে আমাকে ক্যারেক্টার জোর করে কিছু করতে হয় না, মানে আমি ন্যাচারালি হয়ে যাই কিভাবে যেন এবং কোনো একটা ট্র্যান্সে উনি নিয়ে যায় অ্যাক্টরদেরকে, তারপর ছেড়ে দেয়।”
‘সাধুর বউ’ চরিত্রের প্রস্তুতি ও কস্টিউম
সিনেমায় নিজের চরিত্র ‘সাধুর বউ’ হয়ে ওঠার প্রস্তুতি এবং কস্টিউম নিয়ে কথা বলার সময় তুষি জানান যে গ্রামীণ মেয়ের অবয়ব ফুটিয়ে তুলতে স্থানীয় বাজার থেকে ব্যবহৃত কাপড় কিনে তারা শুটিংয়ের আগে থেকেই পরতেন। ব্যক্তিগত কোনো পোশাক বা জিনিসপত্র তিনি সেসময় ব্যবহার করতেন না। তবে বাহ্যিক এই পরিবর্তনের চেয়ে চরিত্রের মনস্তত্ত্ব ধরাই ছিল আসল চ্যালেঞ্জ।
বাহ্যিক রূপ পরিবর্তনের প্রতিকূলতা
চরিত্রের জন্য বাহ্যিক রূপ পরিবর্তনের প্রতিকূলতা বা ত্যাগের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তুষি অত্যন্ত সাবলীলভাবে বলেন, “আসলে এসব কস্টিউম লুক খুবই ছোট জায়গা, বুঝছেন? মানে এটার মনস্তত্ত্ব ধরা বা ওই যে মানসিক জায়গাটাতে আমরা বিচরণ করছি ওইটা হচ্ছে সবচেয়ে মজার প্রত্যেকেরই। মানে এই পড়া, কালো হওয়া, অসুন্দর লাগা দেখা, এগুলো খুবই সহজ।” কোনো কিছু ত্যাগ না করে বরং আনন্দের সাথে এই নতুন জগৎ ও অদ্ভুত সময়কে নিজের জীবনে যুক্ত করেছেন বলেই জানান এই অভিনেত্রী।



