অভিনেত্রী রুনা খান রান্নার পুরোটাই মাকে দেখে শিখেছেন। নিজের হাতে রান্না করতে ভালোবাসেন তিনি। স্বামী এষণ ওয়াহিদের প্রিয় খাবার হলো স্ত্রীর হাতের মোরগ পোলাও ও ডিমের হালুয়া। অন্যদিকে মেয়ে রাজেশ্বরী পছন্দ করেন মায়ের রান্না করা গরুর ভুনা, মুরগির কোরমা ও নরম খিচুড়ি।
মায়ের হাতের রান্নার স্মৃতি
রুনা খান বলেন, ‘আমার মায়ের রান্না ভীষণ ভালো। ছোট থেকে মাকে যেভাবে রান্না করতে দেখতাম, সেটাকেই অনুকরণ করার চেষ্টা করি।’ নিজের সবচেয়ে প্রিয় খাবারও মায়ের হাতের রান্না। এ ছাড়া সোবহানবাগের তেহারি ঘরের তেহারিও তার পছন্দের তালিকায় রয়েছে।
ঈদের বিশেষ রান্না
আসন্ন ঈদে রুনা খান রান্না করবেন গরুর ঝাল ভুনা, সাদা পোলাও ও পায়েস।
সাদা পোলাও
উপকরণ: পোলাও চাল ৪ কাপ, ঘি ৪ টেবিল চামচ, পানি ৮ কাপ, লবণ স্বাদমতো, গাজরকুচি সিকি কাপ, পেঁয়াজ বেরেস্তা আধা কাপ।
প্রণালি: প্রথমে চাল ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। একটি পাত্রে ঘি গরম করে চাল হালকা ভেজে নিন। এরপর পানি ও লবণ দিয়ে ঢেকে রাখুন। এতে দিন গাজরকুচি। পানি শুকিয়ে এলে ঢেকে দমে রাখুন। শেষে পেঁয়াজ বেরেস্তা ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।
পায়েস
উপকরণ: গরুর দুধ ৪ লিটার, পোলাওয়ের চাল ১ মুঠো, ঘি ১ চা-চামচ, চিনি ৩ কাপ, লবণ এক চিমটি।
প্রণালি: একটি পাত্রে দুধ দিয়ে চুলায় বসিয়ে দিন। দুধ জ্বাল হয়ে ১ লিটারে নামিয়ে আনুন। আলাদা করে পোলাওয়ের চাল সামান্য ঘি দিয়ে হালকা ভেজে নিন। এরপর সেই চাল দুধে দিয়ে কম আঁচে রান্না করুন। মাঝে মধ্যে নেড়ে দিন। চাল সেদ্ধ হয়ে গেলে চিনি ও লবণ দিন। ধীরে ধীরে দুধ আরও ঘন হয়ে এলে নামিয়ে নিন।
গরুর ঝাল মাংস ভুনা
উপকরণ: গরুর মাংস ১ কেজি (বিভিন্ন অংশ মিশিয়ে নিলে ভালো), পেঁয়াজবাটা ২ টেবিল চামচ, আদাবাটা ১ টেবিল চামচ, রসুনবাটা ১ টেবিল চামচ, হলুদগুঁড়া ১ চা-চামচ, শুকনা মরিচগুঁড়া ১ চা-চামচ, গরম মসলাবাটা ১ টেবিল চামচ (এলাচ ৩-৪টি, দারুচিনি ২টি, লবঙ্গ ৩-৪টি, জিরা আধা চা-চামচ—একসঙ্গে বাটা), লবণ স্বাদমতো, শর্ষের তেল দেড় কাপ।
প্রণালি: সব উপকরণ একসঙ্গে মাংসের সঙ্গে ভালোভাবে মেখে নিন। এই রান্নায় আলাদাভাবে পানি দেওয়ার প্রয়োজন নেই, মাংস থেকেই পানি বের হবে। একটি পাত্রে মাংস বসিয়ে ঢেকে অল্প আঁচে রাখুন। মাঝেমধ্যে নেড়ে দিন। প্রায় দেড় থেকে দুই ঘণ্টা কম আঁচে রান্না করলে মাংস নরম হয়ে তেল ছেড়ে ভুনা হয়ে যাবে। পরিবেশন করুন গরম-গরম।



