প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিবের সমবেদনা: মরহুম সাংবাদিক রউফ জালালের পরিবারের খোঁজ নিলেন রুমন
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বগুড়ায় গিয়ে মরহুম সাংবাদিক রউফ জালালের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেছেন এবং তাদের খোঁজ-খবর নিয়েছেন। শুক্রবার (১৩ মার্চ) বাদ জুমা মরহুমের বাসভবনে এই সাক্ষাৎ ঘটে, যেখানে রুমন মরহুম রউফ জালালের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
সহকর্মীতার স্মৃতিচারণ ও আবেগপ্রবণ মুহূর্ত
আতিকুর রহমান রুমন জানান, তিনি একসময় বগুড়া থেকে প্রকাশিত দৈনিক আজ ও আগামীকাল পত্রিকায় রউফ জালালের সঙ্গে সহকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। তাই বগুড়ায় এসেই তিনি প্রথমে মরহুম সাংবাদিকের পরিবারের খোঁজ নেন। রুমন বলেন, "মরহুম রউফ জালাল ভাইয়ের সঙ্গে আমার অনেক স্মৃতি রয়েছে। আমরা একসাথে অনেকদিন সহকর্মী হিসেবে কাজ করেছি। তিনি আমাকে খুব স্নেহ করতেন। তার স্মৃতিগুলো আমাকে আবেগপ্রবণ করে তোলে। তাই যখনই আমি বগুড়া আসি রউফ জালাল ভাইয়ের সাথে দেখা করার চেষ্টা করি। তার এই মৃত্যু আমাকে অত্যন্ত বেদনা দিয়েছে।"
রউফ জালালের মৃত্যু ও শেষকৃত্য
উল্লেখ্য, গত বুধবার বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইয়ের বগুড়া প্রতিনিধি ও প্রবীণ সাংবাদিক রউফ জালাল মারা যান (ইন্না লিল্লাহি...রাজিউন)। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর তিনি নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে বগুড়া শহরের সূত্রাপুর এলাকার ভাড়া বাসায় তার মৃত্যু হয়, মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৭০ বছর।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ জানুয়ারি সূত্রাপুর এলাকার নিজ বাসায় তিনি স্ট্রোক করেন। এরপর তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে কিছুটা সুস্থ বোধ করলে বাড়িতে এনে তাকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছিল। রউফ জালাল ২০০২ সাল থেকে চ্যানেল আইয়ের বগুড়া প্রতিনিধি হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন এবং গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। বৃহস্পতিবার বাদ জোহর শহরের সেউজগাড়ী জামে মসজিদে মরহুমের জানাজা অনুষ্ঠিত হয় এবং এরপর আনজুমান-ই-কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
