ভারতের তামিলনাড়ুতে প্রথমবারের মতো জোট সরকার গঠনের পথে এগোচ্ছেন অভিনেতা-রাজনীতিক থালাপতি বিজয়। ছোট দলগুলোর সমর্থনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করার পর এখন মন্ত্রিসভা গঠন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। একজন শিল্পী হয়ে রাজনীতিতে তার সাফল্যের জন্য অনেকেই তার প্রশংসা করেছেন।
সিদ্দিকুর রহমানের অভিমত
সম্প্রতি কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া ছোট পর্দার পরিচিত মুখ সিদ্দিকুর রহমানও বিজয়কে নিয়ে নিজস্ব অভিমত প্রকাশ করেছেন। গণমাধ্যমকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সবাই বলে যে শিল্পীদের রাজনীতিতে যাওয়া ঠিক না। এটার পক্ষে-বিপক্ষে প্রচুর কথা আছে। কিন্তু আমি মনে করি ওই শিল্পীটার ভেতরের মানুষটা যদি মনুষ্যত্বহীন না হয়, যদি সামাজিক হয়, সেবকের চিন্তা-ভাবনা থাকে, দেশকে ধারণ করার চিন্তা-ভাবনা থাকে, সার্বভৌমত্ব রক্ষার চিন্তা করে এবং সত্যিকার অর্থে সেবক হিসেবে মানুষকে সেবা দিতে পারে- সেই জায়গা থেকে এ পথে হাঁটা উচিত।
তিনি আরও বলেন, আর যদি মনে হয়- আমি সেই জায়গায় গিয়ে আমি আমাকে আমি হিসেবে বিশ্বাস করি, আমি আমরাতে বিশ্বাস করব না। আমরাতে পরিণত হবো না। আমার কী হলো? আমার কী পাওয়া দরকার? আমি কী পেয়েছি? এ শব্দগুলো যদি একটা শিল্পীর ভেতরে থাকে- সেই শিল্পীর রাজনীতিতে যাওয়া উচিত না। আর যে গুণগুলোর কথা আমি আগেই বললাম; সেগুলো করবে- তাহলে আমি মনে করি তার রাজনীতির পথে হাঁটা উচিত।
থালাপতি বিজয়ের উদাহরণ
সম্প্রতি আপনি ভারতে দেখেন- থালাপতি বিজয় একজন শিল্পী হয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন। তিনি যেমন সিনেমার হিরো; ঠিক তেমনি জনগণের কাছে হিরো হিসেবেই আছেন। ও রকম হিরো লাগবে- ও রকম হিরোর মেন্টালিটি যদি না থাকে; তাহলে হবে না। জেলেনস্কিকে দেখেন- তিনিও কিন্তু অভিনেতা। এ রকম বড় বড় অনেক জায়গায় অভিনেতা-অভিনেত্রীরা আছেন যারা মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে প্রেসিডেন্ট থেকে শুরু করে বড় বড় জায়গায় আছেন। কিন্তু বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট একটু অন্যরকম।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট
একটু পরেই দেখা যাবে আমার কমেন্ট বক্সের নিচে লেখা শুরু হবে- সিদ্দিক ভাই লেবাস পালটাই নাই; সিদ্দিক ভাই কিন্তু ওই ধরনের কথা বলতেছে। নো আমি অবশ্যই ভেতরে আল্লাহকে ধারণ করি। আমি হেদায়েতপ্রাপ্ত হয়েছি সেখান থেকে। সেটাকে আমি ধারণ করব; ওটা আমাকে মৃত্যুর পর পরের জীবনেও ধারণ করতে হবে। আর রাজনীতি যে কথাটি আমি বলছি- মৃত্যুর পরেও তা আমি ধারণ করতে পারব; যদি আমি সত্যিকার অর্থে রাজনীতিটা ওই আল্লাহর হেদায়েতের জায়গা থেকে করি। যদি আমি হেদায়েতপ্রাপ্ত হয়ে মানুষের জন্য করি; আমার জন্য না করি- তাহলেই হবে।



