বলিউড অভিনেত্রী আলিয়া ভাটের ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের একটি ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন তার সাবেক ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী জিশান কোরেশি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এয়ারপোর্টের কর্মীদের হাতেই আলিয়া ‘মব’ বা হেনস্তার শিকার হন।
ঘটনার বিবরণ
জিশান জানান, ঘটনাটি ঘটেছিল ‘স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার’ মুক্তির পরপরই। আলিয়া ভাট এয়ারপোর্টের ইমিগ্রেশন শেষ করে একটি কোণে একা দাঁড়িয়ে ছিলেন। সে সময় তার সিকিউরিটি টিমের বাকি সদস্যরা তখনও লাইনে ছিলেন। আলিয়াকে একা পেয়ে সেখানে দায়িত্বরত এয়ারপোর্ট কর্মী এবং কাস্টমস কর্মকর্তারা ছবি তোলার জন্য তাকে ঘিরে ধরেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে
পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। জিশানের ভাষ্যমতে, উপস্থিত লোকজন আলিয়ার অত্যন্ত কাছাকাছি চলে আসে এবং গায়ের ওপর পড়ে ছবি তোলার চেষ্টা করে। তিনি বলেন, ‘ভিড়ের চাপে আলিয়া প্রায় কোণঠাসা হয়ে পড়েছিলেন। অনেকে এমনকি তার কাঁধে ও গলায় হাত দিয়ে সেলফি তোলার চেষ্টা করছিল।’ এই আকস্মিক ঘটনায় আলিয়া ভীষণ আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।
উদ্ধার ও প্রতিক্রিয়া
নিরাপত্তা বেষ্টনী পেরিয়ে জিশান দ্রুত সেখানে পৌঁছান এবং ভিড় সরিয়ে আলিয়াকে উদ্ধার করেন। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সেখানে উপস্থিত ব্যক্তিরা শিক্ষিত হওয়া সত্ত্বেও একজন তারকার ব্যক্তিগত নিরাপত্তার প্রতি কোনো সম্মান দেখাননি। জিশান তাদের সতর্ক করে বলেন যে, তারকা হলেও আলিয়ার ব্যক্তিগত স্পেস প্রয়োজন। এরপর তিনি নিরাপদে অভিনেত্রীকে সরিয়ে নিয়ে যান।
এই ঘটনাটি আবারও সেলিব্রেটিদের নিরাপত্তা এবং ভক্ত বা সাধারণ মানুষের আচরণের সীমারেখা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।



