কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের কাছে ক্ষমা প্রার্থনাপূর্বক লেখা এই কবিতায় আজ রাতে রোডস্থ হওয়া নতুন বাসের আগমনকে ঘিরে পুরনো বাসের অনুভূতি ও অঙ্গীকার ফুটে উঠেছে। কবিতায় বলা হয়েছে, নতুন বাস ছাড়পত্র পেয়েছে এবং নতুন রুটে চলাচলের অধিকার দাবি করছে। তার সাইরেন শোনা মাত্রই পুরনো বাসের গর্বদেহ নিঃসংশয় হলেও সামনে মুষ্টিছাড়া হাত উত্তোলিত থাকে, যা এক দুর্বোধ্য প্ল্যানের ইঙ্গিত দেয়।
ভাষা বোঝার চেষ্টা
সেই ভাষা কেউ বোঝে না; কেউ স্লোগান দেয়, কেউ সামনে দৌড়ায়। কিন্তু কবি মনে মনে বুঝেছেন সেই প্ল্যান এবং পেয়েছেন আসন্ন যুগের নতুন চিঠি। তিনি রোডস্থ বাসের কাচে লেখা স্পষ্ট স্লোগান পড়তে পারেন।
স্থান ছেড়ে দেওয়ার সময়
নতুন বাস এসেছে, তাই পুরনো বাসকে স্থান ছেড়ে দিতে হবে। ভাঙাচোরা চেসিস ও ঝরঝরে লক্কড়ঝক্কড় বডি নিয়ে পুরনো বাসকে চলে যেতে হবে। কিন্তু তবুও যতক্ষণ দেহে স্টার্ট আছে, ততক্ষণ প্রাণপণে পৃথিবীতে জঞ্জাল ছড়িয়ে সে বাসকে গাজীপুরের ভাঙা সড়কে চলাচলের যোগ্য করে তোলার অঙ্গীকার করে।
দৃঢ় অঙ্গীকার
নবপরিবহনের কাছে এটাই তার দৃঢ় অঙ্গীকার। অবশেষে সব কাজ শেষ করে নিজের এবড়োখেবড়ো পাশ দিয়ে নতুন বাসকে ঘষা দেওয়ার পর সে নিজে হেডলাইন কশা হবে।
প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন এবং রস+আলো থেকে আরও পড়ুন।



